0
pcb2
বিষয় :  সিস্টেম বায়োস (BIOS)

সুচিপত্র - প্রধান মেনু

Computer Basic কমপিউটার পরিচিতি

PC Hardware

কমপিউটারের গঠন

CPU সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট

Primary Hardware প্রাইমারী হার্ডওয়ার

Secondary Hardware সেকেন্ডারী হার্ডওয়ার
Input Unit ইনপুট ইউনিট
Output Unit আউটপুট ইউনিট

Memory কমপিউটার মেমোরী

Storage device তথ্য সংরক্ষন

Install Hardware কমপিউটার এসেম্বল
System Control সিস্টেম কন্ট্রোল
OS অপারেটিং সিস্টেম
PC Booting পিসি বুটিং
Application Software এপ্লিকেশন সফটওয়ার
Computing in Bangla বাংলা কমপিউটিং
Multimedia মাল্টিমিডিয়া
Desktop Publishing ডেস্কটপ পাবলিকেশন
Utility Software ইউলিটি সফটওয়ার
Virus & Antivirus ভাইরাস ও প্রতিরোধ
PC Networking কমপিউটার নেটওয়ার্কিং
Internet ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তি
Hardware Problem হার্ডওয়ার সমস্যা ও সমাধান
Windows OS উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম
Software Problem সফটওয়ার সমস্যা ও সমাধান
Windows Tips & Tricks  উইন্ডোজ সমস্যা ও সমাধান
PC Maintenance কমপিউটারের পরিচর্য্যা
FAQ প্রশ্ন ও উত্তর
 

সিস্টেম বায়োস (BIOS)

  • বায়োস কি ?

  • বায়োস কেন ?

  • সিস্টেমে বায়োসের ভুমিকা

  • বায়োস ফিচারস ?

  • PNP ফিচার

  • পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ফিচার

  • সিকিউরিটি ফিচার

  • অটো-কনফিগারেশন ফিচার

  • প্রশ্নোত্তরে বায়োস

বায়োস কি ? বায়োস হচেছ Basic Input Output System এর সংক্ষিপ্ত রূপ সহজ ভাষায় এটা হচেছ ইন্সট্রাকশনের সেট বা এক গুছ নির্দেশ এবং কিছু তথ্য যা আপনার কম্পিউটারকে নির্জীব অবস্থা থেকে বুট করতে সাহায্য করে এবং কম্পিউটার কমপোনেন্ট সমূহের মধ্যে যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করে এই ইন্সট্রাকশন গুলো সাধারণত একটি রম চিপ এ মাদার বোর্ডে বিল্ট -ইন থাকে, যাকে বায়োস -চিপ বলে

বায়োসের কাজ কি ? আপনার কম্পিউটার শুধুই একটি মাইক্রো প্রসেসর, ডিসপ্লে­ ইউনিট কিংবা শুধু একটি স্টোরেজ ডিভাইস নয় বরং এটা হল একটি সম্পূর্ণ সিস্টেম যাতে বিভিন্ন কম্পোনেন্ট সমন্বিতভাবে কাজ করে আপনার সিস্টেমের সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী উপাদান হচ্ছে সিপিইউ যাকে ঘিরেই অবর্তিত হয় সিস্টেমের সব কিছু কিন্তু এর একক ভুমিকা কখনোই যথেষ্ট নয় সিপিইউ ইনপুট টার্মিনাল ডাটা পেলে সে তা প্রসেস করে আউটপুটে পাঠিয়ে দিতে পারে কিন্তু সেটা তখনো ব্যবহারকারীর জন্য বোধগম্য হয়ে উঠে না ব্যবহারকারীর জন্য চাই সহজ বোধ্য ইনপুট ইন্টারফেস (কিবোর্ড, মাউস ইত্যাদি) ; চাই বোধগম্য ভিজ্যুয়াল আউটপুট (মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি); তথ্য সংরক্ষনের জন্য চাই স্টোরেজ ডিভাইস (যেমন, হার্ডডিস্ক, ফ্লপিডিস্ক ইত্যাদি) মাল্টিমিডিয়া আর কমিউনিকেশন কম্পোনেন্টের কথা না হয় বাদই দিলাম সব কিছু মিলিয়ে তবেই কম্পিউটারের পারফরমেন্স অর্থবহ হয়ে উঠতে পারে কিন্তু এই যে এতসব কম্পোনেন্ট যারা প্রত্যেকেই বিশেষ কাজের জন্য নিবেদিত তাদের সমন্বয়ের দায়িত্ব কে নেবে? কাউকে তো এটাও নিশ্চিত করতে হবে এরা যেন পরিপূরক হিসেবে কাজ করে, পরস্পর বিরোধী হিসেবে নয় কারণ সিস্টেম কম্পোনেন্ট সবই হল পৃথক পৃথক সত্ত্বা এরা চেনে কেবল তাদের টার্মিনালকে যথাযথ ইনপুট পেলে নিজেদের বিশেষত্ব অনুযায়ী প্রসেস করে আউটপুটে পাঠিয়ে দেয় ইনপুট কোথা থেকে এল আর আউটপুট কোথায় গেল তা নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যাথা নেই এই সকল কাজের প্রয়োজনীয় নিদের্শাবলী নিয়েই বায়োস গঠিত পৃথক পৃথক ভাবে আপনার সিস্টেম কম্পোনেন্ট যত শক্তিশালীই হোক না কেন সঠিক বায়োস কোড ছাড়া তাদের পারফরমেন্সের কোন মূল্য নেই এছাড়া সিস্টেম বুট হওয়ার পরই সকল কম্পোনেন্টকে কাজে লাগানোর জন্য আগে সিস্টেমকে জানাতে হবে তাদের উপস্থিতি এবং কার্যক্ষমতা (ত্রটিহীনতা) সম্বন্ধে। এই দায়িত্বও বায়োসের মোটকথা সিস্টেমের বুটআপ থেকে শুর" করে শেষ তত্ত্বাবধানের সম্পূর্ণ দায়িত্ব বায়োসের

সিস্টেমে বায়োসের ভুমিকা : আপনার সিস্টেমে বায়োসের ভুমিকা মূল প্রসেসরের চেয়ে কোন অংশে কম নয় সিস্টেম পাওয়ার আপের পর অপারেটিং সিস্টেম এবং অন্য সবকিছুর আগে বায়োস কোডই লোড হয় সঠিক বায়োস কনফিগারেশন ছাড়া আপনার সিস্টেম বুটই করবে না আপনার সিস্টেম কার্যক্রমে বায়োসের ভুমিকাকে আমরা তিন ভাগে ভাগ করে দেখতে পারি -

বুট আপ চেকিং - সিস্টেম পাওয়ার অন করার সাথে সাথে ইলেক্ট্রনিক সিগনাল পেয়ে বায়োস কাজ করা শুরকরে এবং প্রথমেই সে কম্পিউটারের সকল কম্পোনেন্ট টেস্ট করে নেয় একে বলা হয় POST (Power on Self Test) এ সময় বায়োস সিস্টেমের মেমোরি, ভিডিও কার্ড, ডিস্ক কন্ট্রোলার, কিবোর্ড এবং অন্যান্য গুরত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট ঠিক মত কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করে সব ঠিক থাকলে তা বিপ বোডের মাধ্যমে জানায় এবং সিস্টেমকে পরবর্তী কাজের জন্য একসেস দেয় এছাড়া আধুনিক PnP বায়োস এর প­াগ-ইন এডাপ্টার কার্ড সমূহের ইনিশিয়ালাইজেশন ও এ পর্যায়েই সম্পন্ন হয় এ পর্যায়ে কোন ত্র"টি ধরা পড়লে তা বায়োস রটিন বিপ কোড এবং মেসেজের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে অবহিত করে এবং সিস্টেমকে বন্ধ করে দিয়ে নতুন কোন ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে

বুট-স্ট্র্যাপিং - চেকিং পর্যায় শেষে বায়োস বুটেবল ডিস্ক এবং অপারেটিং সিস্টেমকে খুঁজে বের করে এবং তার হাতে সিস্টেম কন্ট্রোল তুলে দিয়ে নিজের প্রত্যক্ষ দায়িত্ব শেষ করে সিস্টেম বুট করার এই পর্যায়কে বলা হয় Boot-strap loader routine. বায়োস এর এই পর্যায়টাই শুধু আমরা মনিটরে দেখতে পাই (Starting MS-DOS বা Starting Windows98 এর মত বার্তা)

অপারেটিং সিস্টেমের সহায়তাকারী - বুট ষ্ট্রাপিং পর্যায়ে বায়োসের প্রত্যক্ষ কাজ শেষ হলেও পরবর্তী পর্যায়ে এটি অপারেটিং সিস্টেমের পেছনে সহায়ক ভুমিকায় কাজ করেই চলে বিভিন্ন সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের চাহিদা অনুযায়ী বায়োস র"টিন বিভিন্ন সিস্টেম ফিচারের একসেস দেয় যেমন বায়োস প্রসেসরকে বলে দেয় কিভাবে ভিডিও কার্ড বা হার্ডডিস্কের সাথে যোগাযোগ করতে হবে এবং তথ্য আদান-প্রদান করতে হবে এভাবে শুর" থেকে শেষ পর্যন্ত বায়োস কাজ করে যায় এবং সিস্টেম ইন্টিগ্রিটি বজায় রেখে তার কার্যক্রমকে গতিশীল ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে বায়োসের গুর"ত্বপূর্ণ ভুমিকা আমাদের চোখ এড়িয়ে যায় বরং অপারেটিং সিস্টেমটিকেই বিশেষ করে চোখে পড়ে কারণ একমাত্র অপারেটিং সিস্টেমই ব্যবহার কারীর সাথে সরাসরি এবং ভিজ্যুয়াল যোগাযোগ করে

বায়োস ফিচারস - সিস্টেম সম্পর্কে বেসিক জ্ঞানটা থাকলে ছোটখাট ত্রটি সফটওয়্যার সমস্যা আপনি নিজেই সারিয়ে নিতে পারবেন এটা আপনাকে সিস্টেমের উপর কন্ট্রোল নিতে এবং আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করবে নিম্মে বায়োসের গুর"ত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট সমুহ অলোচনা করা হলো -

প্লাগ এন্ড প্লে­ (PnP) ফিচার -  প্লাগ এন্ড প্লে ফিচার আধুনিক বায়োসের একটি গুর"ত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য বৈশিষ্ট এই ফিচারসমূহ আপনার সিস্টেম বোর্ডের প্লাগ-ইন ডাপ্টার কার্ডের (ভিডিও কার্ড, ইন্টারনাল মডেম, সাইন্ড কার্ড ইত্যাদি) অটোমেটিক কনফিগারেশনে সাহায্য করে এবং ম্যানুয়ালি সিস্টেম রিসোর্স বরাদ্দ করার ঝামেলা থেকে আপনাকে বাচায় সিস্টেমকে প্লাগ এন্ড প্লে কনসেপ্টের সম্পূর্ণ ফায়দা তুলতে হলে অপরেটিং সিস্টেম এবং কার্ডের পাশাপাশি সিস্টেম বায়োসকেও তা সাপোর্ট করতে হবেPnP এক্সটেনশন ছাড়া আধুনিক বায়োসের কথা ভাবাই যায় না তাই বায়োস সেটআপে এদের কন্ট্রোল আপনি পাবেন PnP /PCI Configuration Setup-Gi মত শিরোনামে এতে অ্যাডাপ্টার কার্ড সমূহের অটোমেটিক বা ম্যানুয়াল কনফিগারেশনের অপশন রয়েছে অটোমেটিক কনফিগারেশনে ঝামেলা হলে অথবা আপনার লিগ্যাসি বা Non-PnP কার্ড এবং PnP কার্ডের সহ অবস্থান বা কম্পাটিবিলিটি নিশ্চিত করার জন্য এই অপশন সমুহ ব্যবহার করা যেতে পারে

পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ফিচার - শক্তি সাশ্রয়ের যুগে সব সিস্টেম বায়োসেই পাওয়ার ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থা আছে এ নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট স্ট্যান্ডার্ড (EPM, Energy star specification, Green PC specification ইত্যাদি) আপনার সিস্টেমে বিশেষ করে নোটবুক পিসিতে ও অবশ্যই পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট স্ট্রাটেজি ঠিক করার প্রয়োজন রয়েছে সঠিক পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট স্ক্রীম শুধু আপনার শক্তিই সাশ্রয় করবে না, তা আপনার সিস্টেম কম্পোনেন্টসমূহের কার্যকর আয়ুও বাড়িয়ে দিতে পারে ষ্ট্যান্ডার্ড বায়োস Doze Mode, Stand by Mode এবং Suspend Mode এই তিন ধরনের পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট স্ক্রীম সাপোর্ট করে এই স্ক্রীমগুলো কতখানি সময়ে কার্যকর হবে তা নির্ধারণ করার জন্য রয়েছে Minimum Saving, Maximum Saving, Optimized এবং User defined এর মত সেটিং এক্সটেনসিভ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট (EPM) দ্বারা আপনার সিস্টেমের প্রায় প্রতিটি কম্পোনেন্টের (‡hgb, হার্ডডিস্ক, ভিজিএ কার্ড, ইত্যাদি) শক্তির ব্যবহারকে নিয়ন্ত্রিত করতে পারেন বায়োসে এই ফিচার গুলো পাবেন Power Management Setup শিরোনামে

সিকিউরিটি ফিচার - আপনার সিস্টেমকে অনাকাংখিত ব্যবহারকারীর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সব বায়োসেই পাসওয়ার্ড প্রটেকশন বা সিকিউরিটি ফিচার থাকে এই ফিচার দ্বারা আপনি শুধুমাত্র বায়োস সেটআপ প্রোগ্রাম কিংবা সিস্টেম ও বায়োস সেটআপ দুটোই অনুপ্রবেশকারীর হাত থেকে রক্ষা করতে পারেন এওয়ার্ড বায়োস সেটআপে এই ফিচার যথাক্রমে User password এবং Supervisor Password এই দুই শিরোনামে বিভক্ত থাকে প্রথমটির সাহায্যে আপনি শুধুমাত্র সিস্টেমকে এবং পরেরটি দিয়ে সিস্টেম ও সেট আপ উভয়কে সুরক্ষিত করতে পারেন সিস্টেম পাসওয়ার্ড প্রটেকটেড ফর্মে পাসওয়ার্ড যেন ভুলে না যান সেটা নিশ্চিত করবেন কারণ সেক্ষেত্রে বায়োস মেমরি রিসেট করা ছাড়া সিস্টেম বা সেটআপে ঢোকার অন্য কোন উপায়ই থাকবে না পাসওয়ার্ড সাধারণ case sensitive বলে পাসওয়ার্ডে অক্ষরগুলোর কেস (ছোট না বড় টাইপে লেখা) খেয়াল রাখা জররী

অটো-কনফিগারেশন ফিচার - অটো কনফিগারেশন ফিচার ব্যবহারকারির হাতের অস্ত্র বিশেষ এই ফিচার এনাবল করলে তা বায়োস সেট আপে ব্যবহারকারীর কাষ্টোমাইজ কৃত সকল ফ্যাক্টরি বা ডিফল্ট ভ্যালুগুলো লোড করে বায়োস নিয়ে নাড়াচাড়া করতে গিয়ে আপনি যদি ভুল কনফিগারেশন বেছে নেন এবং সিস্টেমেই বুট করতে না পারে তবে আপনি এই ফিচার ব্যবহার করে তা সংশোধন করতে পারবেন এওয়ার্ড বায়োসে (1) Auto-configuration with setup defaults (2) Auto configuration with BIOS/Power on defaults নামক অপশনে অটো কনফিগারেশন ফিচার থাকে প্রথমটার কাজ রম থেকে স্ট্যান্ডার্ড মানগুলো লোড করা যা মোটামুটি সাধারণ কাজের জন্য অপটিমাম পারফরমেন্স নিশ্চিত করে পরবর্তী অপশনটিকে এক ধরনের ডায়াগনোষ্টিক মোড বলা যায় এটা সিস্টেমকে সবচেয়ে রক্ষণশীল সেটিং এ সেট করে। (সমস্ত হাই পারফরমেন্স ফিচার বন্ধ করে দিয়ে সিস্টেমের বুট আপ নিশ্চিত করাই হলো এর উদ্দেশ্য) প্রথম অপশনটি যখন কাজ করে না তখন এটি ব্যবহার করা হয় এখানে একটি ব্যতিক্রম বলে নেয়া ভাল - উভয় ক্ষেত্রেই Standard CMOS setup-Gi মানগুলো (হার্ড ডিস্ক স্পেসিফিকেশন, ভিডিও টাইপ ইত্যাদি) অপরিবর্তিত থাকে এছাড়াও ব্যাটারি শেষ হয়ে বা অন্য কোন কারণে CMOS Memory মুছে গেলে নতুন করে বুট-আপের সময়ও সিস্টেম এই কনফিগারেশন (ব্যবহারকারির অনুমতি সাপেক্ষে) লোড করে এসব মূল ফিচার ছাড়াও বায়োস ভেদে Virus warning, keyboard typing feature ইত্যাদি ফিচারও থাকতে পারে

প্রশ্নোত্তরে বায়োস -

১. BIOS-ID String কি এবং এর তাৎপর্য কি? সিস্টেম বুট-আপের সময় BIOS শেষে প্রথম ডিসপে­ স্ক্রীণের নীচের অংশ সংখ্যা ও অক্ষরের সমন্বয়ে যে লাইনটি দেখা যায় তাকেই BIOS Identification String বা সংক্ষেপে BIOS ID String বলে এতে সাংকেতিক ভাবে বায়োস নির্মাতা, ভার্সন নাম্বার , ডেট, বায়োস ফিচার ইত্যদি সম্পর্কে তথ্য থাকে এক কথায় এটা আপনার বায়োস চিপের সারাংশ এবং সংকেত জানা থাকলে বায়োস সেটআপে বা সিস্টেমে না ঢুকেও এ থেকে সিস্টেম বায়োস সম্বন্ধে ধারণা পেতে পারেন সব তথ্যের মধ্যে বায়োস রিলিজ ডেট এবং ভার্সন নাম্বার আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন এই তথ্য আপনার বায়োস কতখানি আপডেটেড সে সম্বন্ধে ধারণা দেবে অন্যান্য তথ্য উদ্ধারের জন্য আপনাকে বায়োস ম্যানুয়াল এর সাহায্য নিতে হবে

২. বায়োস কোড রম চিপ থেকে লোড করা হয়, ডিস্ক থেকে নয় কেন? সিস্টেম বুট-আপে অন্য সব কিছুর আগে বায়োস কোডই লোড হয় তাকে শুরতেই সিস্টেমের সকল কম্পোনেন্ট সনাক্ত করতে হয়, তাদের ত্র"টিহীনতা সম্পর্কে পরীক্ষা করতে হয় অন্য সব কম্পানেন্টের মত আপনার স্টোরেজ ডিভাইসকে ও কার্যক্ষম হওয়ার আগে সিস্টেমের স্বীকৃতি পেতে হবে অর্থাৎ আপনার FDD/HDD কার্যক্ষম হওয়ার আগেই সিস্টেমের জন্য তার বায়োস কোড মোটামুটি সুনির্দিষ্ট তাকে ডিস্কের সাধারণ ডাটার মত ঘন ঘন পরিবর্তন করার প্রয়োজন পড়ে না; বরং দুর্ঘটনাক্রমে বায়োস কোড পরিবর্তিত হয়ে গেলে সিস্টেমই হয়তো বুট করতে চাইবে না এসব কারণেই বায়োস কোডকে রম-চিপ এ সংরক্ষন করা হয়

৩. কিভাবে বায়োস মেমরি রিসেট করা সম্ভব ? নানা কারণে বায়োসের CMOS মেমরি রিসেট করার প্রয়োজন হতে পারে বিশেষ করে পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড সিস্টেম বা সেট-আপ পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে সেটাই একমাত্র রাসতা কাজটা খুব সহজ যেহেতু ব্যাটারী বায়োস রম এর ডাটা ধরে রাখার শক্তি যোগায়, সেহেতু মূল লক্ষ্য হবে যে কোন উপায়ে ব্যাটারী কন্টাক্ট সরিয়ে নেয়া একাধিক ভাবে সেটা হতে পারে তবে সরাসরি ব্যাটারী না সরানোই ভালো বরং আপনার সিস্টেম বোর্ডে বায়োস ডাটা রিসেট করার যে বিশেষ জাম্পার রয়েছে সেটা (জাম্পার নম্বর জানতে আপনার সিস্টেমের সাথে আসা মাদারবোর্ড ম্যানুয়ালের সাহায্য নিন) ব্যবহার কর"ন

৪. বায়োস আপগ্রেড করা যায় কি ?  আগেই বলা হয়েছে আপনার সিস্টেম বায়োস মাদারবোর্ডে বিল্ট-ইন হিসাবে আসে এবং তা সুনির্দিষ্ট করে আপনার সিস্টেমের জন্যই র‌্যাম চিপে লেখা হয় এই নির্দিষ্টতা এবং Read only chip বায়োস আপগ্রেডকে দুঃসাধ্য করে তোলে এখানে আছে কম্পাটিবিলিটি সহজলভ্যতা আর অনেক সমস্যা যার ফলে বায়োস আপগ্রেড করা গেলেও ঝামেলার তুলনায় প্রাপ্তি খুব একটি লোভনীয় হয়না তাই মূল বায়োস কোম্পানী যদি নির্দিষ্ট ভার্সনের উপর কাজ না করে থাকে এবং আপগ্রেডেড ভার্শন বাজারে সহজলভ্য না হয় তাহলে বায়োস আপগ্রেডের চেষ্টা অযৌক্তিক ইদানীং Flash BIOS এর আবির্ভাব এই সমস্যাকে দুর করতে গুর"ত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে, তবে এর প্রচলন এখনও চোখ পড়ার মত নয়

৫. Flash BIOS কি ? সাধারণ বায়োস রম হচ্ছে EP-ROM (Erasable Programmable)| এ থেকে সাধারণ ভাবে কেবল পড়াই যায়, তথ্য লেখা যায় না তাই বিশেষ উপায় Ultraviolet Ray EP-ROM Writer ছাড়া এই বায়োস পরিবর্তনের কোন উপায় নেই বায়োস চিপের আপডেট সহজ করতে EEP-ROM (Electrically Erasable Programmable ROM) নামের নতুন ধরনের রম চিপের প্রবর্তন করা হয়েছে যার ডাটা ইলেকট্রিকালী পরিবর্তন করা যায় এবং এটা বায়োস চিপের কোন স্থানান্তর করা ছাড়াই সম্ভব এধরনের বায়োসেই Flash BIOS নামে পরিচিত এতে বায়োস র্নিমাতা কোম্পানীর Update patch এর মাধ্যমে সহজেই বায়োস রমকে আপডেট, Bug fix, Enhancement ইত্যাদি করে নেয়া যায় সহজে ডাটা করাপশনের ভয় থাকে বলে সাধারণ অবস্থায় একে বিশেষ জাম্পারের মাধ্যমে রাইট প্রোটেক্টেড রাখা হয়

শেষ

আরো দেখুন : বায়োস সেটআপ  BIOS Setup

 

Infosoft Multimedia: All Rights Reserved.

Template Monster Website Templates