pcb2
অধ্যায় :  হার্ডওয়ার সমস্যা ও সমাধান  Information Technology

সুচিপত্র - প্রধান মেনু

Computer Basic কমপিউটার পরিচিতি

PC Hardware

কমপিউটারের গঠন

CPU সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট

Primary Hardware প্রাইমারী হার্ডওয়ার

Secondary Hardware সেকেন্ডারী হার্ডওয়ার
Input Unit ইনপুট ইউনিট
Output Unit আউটপুট ইউনিট

Memory কমপিউটার মেমোরী

Storage device তথ্য সংরক্ষন

Install Hardware কমপিউটার এসেম্বল
System Control সিস্টেম কন্ট্রোল
OS অপারেটিং সিস্টেম
PC Booting পিসি বুটিং
Application Software এপ্লিকেশন সফটওয়ার
Computing in Bangla বাংলা কমপিউটিং
Multimedia মাল্টিমিডিয়া
Desktop Publishing ডেস্কটপ পাবলিকেশন
Utility Software ইউলিটি সফটওয়ার
Virus & Antivirus ভাইরাস ও প্রতিরোধ
PC Networking কমপিউটার নেটওয়ার্কিং
Internet ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তি
Hardware Problem হার্ডওয়ার সমস্যা ও সমাধান
Windows OS উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম
Software Problem সফটওয়ার সমস্যা ও সমাধান
Windows Tips & Tricks  উইন্ডোজ সমস্যা ও সমাধান
PC Maintenance কমপিউটারের পরিচর্য্যা
FAQ প্রশ্ন ও উত্তর
 

হার্ডওয়ার ট্রাবল স্যুটিং Hardware troubleshooting  

কমপিউটারের সমস্যা দুই ধরনের - হার্ডওয়ার জনিত এবং সফটওয়ার জনিত কম্পিউটারে যে-কোনো ট্রাবল বা সমস্যা হলে কম্পিউটার প্রথমেই আপনাকে একটি এরর মেসেজ বা কিছু যে ঝামেলা আছে সেই জাতীয় একটি মেসেজ প্রদান করবে আর সেখানেই আপনার জন্য অনেক কিছু রয়েছে আপনি নিজেই যদি আপনার কম্পিউটারের ট্রাবলশ্যুটিং করতে চান তবে এরর মেসেজটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এরর মেসেজে যেমন কোথায় সমস্যা হয়েছে তা বলে দেয় তেমনি কী করতে হবে তারও ইঙ্গিত প্রদান করে কাজেই আপনার সমস্যার বিশে­ষণ প্রথমেই এরর মেসেজ থেকে আপনার কাজটি শুরু করতে পারেন অন্য অধ্যায়ে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে এখানে আমরা বিভিন্ন হার্ডওয়ারের সমস্যা নিয়ে আলোকপাত করবঃ-

·         মাদারবোর্ডের ট্রাবলশ্যুটিং - মাদারবোর্ড বা মেইন সার্কিট বোর্ডের ওপরই যেহেতু যাবতীয় যন্ত্রাংশ সংযুক্ত, তাই এটির গুরত্ব অনেক বেশী প্রসেসর একটা জটিল যন্ত্রাংশ যার ট্রাবলশ্যুটিং করার জন্য সিস্টেম লেভেলের ইজ্ঞিনিয়ার ছাড়া সাধারণ ইউজারদের উপযোগী নয় অনেক সময় প্রসেসরে ভোল্টেজ ঠিকমতো সেট করা না হলে সিস্টেম ঘন ঘন ক্র্যাশ বা রিবুট হতে পারে সেক্ষেত্রে ইজ্ঞিনিয়ারকে দেখানোই বুদ্ধিমানের কাজ হবে এছাড়া প্রসেসর যাতে বেশি ধুলাবালিতে আক্রান্ত না হয় তার জন্য মাঝে মধ্যে মাদারবোর্ডে ব্লোয়ার দিয়ে ধুলো পরিষ্কার করা যেতে পারে কোনোমতেই মাদারবোর্ডের কোনো অংশ হাত দিয়ে স্পর্শ করা উচিত নয়

·         প্রসেসর ট্রাবলশ্যুটিং - কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এর প্রসেসর যাকে অবিরাম কাজ করে যেতে হয় প্রসেসরে তাপমাত্রা স্বাভাবিকভাবেই খুব বেশি হয় এজন্য উপরে কুলার ফ্যান এবং কখনো কখনো মাদারবোর্ডে হিট সিংক লাগানো হয়ে থাকে প্রসেসরের তাপমাত্রার সাথে পিসির পারফরমেন্স নির্ভর করে বলে প্রসেসর ঠাণ্ডা রাখাটা জরুরী প্রসেসরে তাপমাত্রা কত তা বোঝার জন্য নতুন বায়োসে টেম্পারেচার সেন্সর থাকে আপনার সিস্টেম বুট হওয়ার সময় বায়োসে প্রবশ করে (F1 বা Del বাটন প্রেস করে) দেখতে পারেন বায়োসের কোথায় সিপিইউ তাপমাত্রা দেখতে পাবেন তা জানার জন্য আপনার মাদারবোর্ড বা বায়োসের ম্যানুয়ালের সাহায্য নিন অনেক বায়োসে সিপিইউ টেম্পারেচার ওয়ার্নিং (CPU Temperature warning) অপশন থাকে যা অন করে দিলে বিপজ্জনক তাপমাত্রাতে (৮০ বা ৮৫০সে.) পৌঁছলে সিপিইউ স্পিকার দিয়ে সাবধানতা সাউন্ড করে সতর্ক করে দেয় যারা এক নাগাড়ে অনেকক্ষণ কম্পিউটার চালান তারা এটির সাহায্য নিয়ে সিপিইউ ওভারহিট থেকে রক্ষা পেতে পারেন এতে আপনার প্রসেসরের আয়ু দীর্ঘায়িত হবে

প্রসেসর ফ্যানটি ঠিকমতো ঘুরছে কিনা তা নিশ্চিত করুন এতে ধুলাবালি পড়লে তা ধীর গতির হয়ে যেতে পারে মাঝে মাঝে এটি পরিস্কার করতে স্প্রেয়ার ব্যবহার করতে পারেন যারা ঘন ঘন হার্ডডিস্ক খুলে অন্যত্র নিয়ে যান বা সিস্টেম খুলতে হয় তারা মাদারবোর্ডের ক্যাবল ইত্যাদি পরীক্ষা করে দেখুন কোনোটি ঢিলে হয়ে গেছে কিনা কেননা এক্সপ্যানশন কার্ড বা ক্যাবল ঢিলা হয়ে গেলে কম্পিউটার যথেষ্ট এরর দেখাতে পারে কোনো কার্ড লাগানো বা খোলাখুলি করলে কখনোই মাদারবোর্ডের সার্কিট ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না এতে দেহের স্থির বিদ্যুৎ আপনার সূক্ষ্ণ স্পর্শকাতর পার্টস ক্ষতি করতে পারে

·         গ্রাফিক্স কার্ড ট্রাবল শ্যুটিং- থ্রিডি হোক বা ননথ্রিডি, গ্রাফিক্স কার্ড নিয়ে মাঝে মধ্যে ঝামেলা হতেই পারে প্রথমত যে সমস্যা হয় তা হলো হঠাৎ কম্পিউটারের ২৪ বিট (১৬ মিলিয়ন) বা ১৬ বিট (৩৬,৫৩৬) কালারের পরিবর্তে মান ৮ বিট (২৫৬) অথবা ১৬ কালার চলে আসা অনেক সময় ড্রাইভার ফাইল মডিফাই হয়ে গেলে এমনটি হতে পরে প্রতিটি গ্রাফিক্স কার্ডের হার্ডওয়্যারের সাথে সফটওয়্যারের সংযোগ সাধন যার দ্বারা হয়ে থাকে সেটি হলো এর ড্রাইভার ফাইল এ রকম পরিস্থিতিতে প্রথমে যা করবেন তা হলে ডেক্সটপের কোনো খালি জায়গায় মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Properties সিলেক্ট কর"ন এবার Settings ট্যাব থেকে Color-Gi ঘরে দেখুন ২৪ Bit Color বা ১৬ bit Color অপশন আছে কি না যদি থাকে তবে তা সিলেক্ট করে কম্পিউটার রিস্টার্ট কর সমস্যা এতে যদি ঠিক হয়ে যায় তবে ভালো

আবার Setting-Gi ভেতরে যদি 16 Color ছাড়া আর কেনো অপশন না থাকে তবে আপনার গ্রাফিক্স কার্ডের ড্রাইভার আবার ইন্সটল করতে হবে এজন্য ইন্সটলেশন সিডি বা ফ্লপি থেকে আবার ভিজিএ ড্রাইভার ইন্সটল কর যাদের থ্রিডি অ্যাক্সেলারেটর কার্ড রয়েছে তাদের Direct-X ঠিকমতো ইন্সটল করা থাকা জর"রি অনেক গেমস এবং সফটওয়্যার ডাইরেক্ট-এক্স ছাড়া সমস্যা করে থাকে

বায়োসে বেশ কিছু AGP সেটআপ-সংক্রান্ত অপশন আছে সেগুলো পরিবর্তন হয়ে থাকলে বা ডিজাবেল করা থাকলে কার্ড বিভিন্ন এরর দিতে পারে অথবা ডিটেক্ট নাও হতে পারে প্রথম প্রথম এক্ষেত্রে বায়োসের ম্যানুয়ালের সাহায্য নিন

·         হার্ডডিস্ক ট্রাবল শ্যুটিং - যখন আপনার হার্ডডিস্ক বিগড়ে যায় তার চেয়ে দুঃখজনক আর কিছুই নেই কারণে পিসির যাবতীয় তথ্যের ভাণ্ডার সেটিই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে একবার হার্ডডিস্কে বড় কোনো সমস্যা দেখা দিলে দেখা যায় সেটার আয়ু শেষ তাই আগে থেকেই হার্ডডিস্কের যত্ন নেওয়া উচিত হার্ডডিস্কের বর্তমানে অ্যাক্সেস টাইম বেশ দ্রত হওয়ার কারণে সেগুলোর ঘূর্ণন বেশ জোরে হয় ফলে গরমও হয় খুব দ্র"ত এই গরম হওয়া বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হলেও হার্ডডিস্কে খুব বেশি ধুলোবালি পড়লে তা বেড়ে যেতে পারে আশপাশের কোনো কম্পোনেন্ট গরম হওয়াও স্বাভাবিক ।

হার্ডডিস্ক যেন ঝাঁকি কম খায় বা আঘাত না লাগে তার প্রতি যত্ন নেওয়া উচিত যারা portable হিসেবে হার্ডডিস্ক এখানে সেখানে নিয়ে যান তাদের এ বিষয়ে বেশি যত্ন নেওয়া উচিত অনেক সময় হার্ডডিস্কের data read বা write error দিয়ে নীল স্ক্রিন আসতে পারে এটি এক হতে পারে হার্ডডিস্ক অনেক পুরাতন হয়ে গেলে অথবা ডাটা কেবল ঢিলে থাকলে হার্ডডিস্কের ডাটা ক্যাবল যেন কখনোই ঢিলে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত ডাটা এরর জাতীয় সমস্যায় পড়ে ক্যাবল ইত্যাদি সব পরীক্ষা করে ঠিক করার পর অবশ্যই স্ক্যান ডিস্ক বা অনুরূপ স্ক্যানিং সফটওয়্যার চালান পুরো হার্ডডিস্কের সারফেসটি স্ক্যান করে নিন এতে আপনার ডাটা করাপশন অন্তত হবে না

·         ফ্লপি ডিস্ক ট্রাবল শুটিং - এখনও আমাদের প্রায় প্রত্যেককেই ফ্লপির ওপর নির্ভর করতে হয় টুকটাক কাজের ন্য , যেমন - ফাইল কপি করতে, এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে নিতে হঠাৎ করে আপনার অফিস থেকে একটা জর"রি ফাইল কপি করে বাসায় নিয়ে আসলেন কিছু এডিটিং করার জন্য বাসার পিসিতে ওপেন করতে গিয়ে দেখলেন ওপেন হচ্ছে নাError reading drive A: বা System can not read from the specified drive বা System can not copy from the destination disk জাতীয় এরর মেসেজ তখন হয়ত দেখে থাকবেন এরকম পরিস্থিতিতে আপনি কি করবেন? আগামী কাল আবার আনবেন, নাকি ফ্লপিটার চিকিৎসা করবেন

হ্যা, ফ্লপিটির চিকিৎসার প্রয়োজন এসব আপনি যেটা করবেন তা হলো ফ্লপিটি ড্রাইভে ঢুকিয়ে Norton utilities থাকলে তার Disk Doctor রান করান ফ্লপি ড্রাইভ সিলেক্ট করে Diagnose দিনে এতে Norton utilities-Gi Disk Doctor আপনার ফ্লপিটি ডায়াগনোস করবে যখন Surface scan করবে তখন যেসব জায়গায় ডাটা পড়তে সমস্যা হবে সে সব জায়গা থেকে ডাটা অন্যত্র সরাবে এতে আপনি আবার আপনার ফ্লপি পড়তে পারবেন মাঝখানে আপনাকে হয়তো জিজ্ঞেস করবে Problem Fix করবে কিনা তখন Yes বা Fix অপশন ক্লিক করে দিতে হবে যাদের Norton utilities নেই তাদেরও উপায় আছেWindows-Gi নিজস্ব scan disk আপনার ত্রানকতা হিসাবে কাজ করবে এখনStart মেনুর Accessories থেকে System Tools-G scan disk রান করন বা Start মেনুর run-এ সরাসরি scan disk টাইপ করে তা রান কর এবার Floppy drive A:1 সিলেক্ট করে Thorough Scan কর"নProblem Fix করতে চাইলে ok কর"ন পুরো 100% স্ক্যান হয়ে গেলে scan disk ক্লোজ করে Windows Explorer থেকে ফ্লপির ফাইলটি কপি কর"ন আশা করা যায় আপনার ডাটা এবার পড়তে পারবে এবং কপি হবে

এখানে উলে­খ্য যে, যদি আপনার ফ্লপি ১.৪৪ মেগাবাইট পুরোটা ভর্তি হয়ে থাকে তবে scandisk বা Disk doctor ড্যামেজ ডাটা অন্য সরানোর জন্য জায়গা পাবে না সেক্ষেত্রে সঠিকভাবে scan ফিক্স করতে পারবে না এজন্য একাধিক ফাইল থাকলে প্রথমে যে কয়টি ফাইল সম্ভব হার্ডডিস্কে তা কপি করে সেগুলো ফ্লপি থেকে মুছে দিন এতে জায়গা খালি হয়ে যাবে তারপর scan করলে সেটা দ্র"ত হবে এবং কেবল Damage ডাটার উপর স্ক্যান করে ভালো জায়গায় সরানোর স্থান পাবে

ফ্লপির যত্ন নিন - ফ্লপি কখনো চুম্বক জাতীয় কিছুর কাছে রাখবেন না, যেমন স্পিকার, রেডিও ইত্যাদি ফ্লপি জোরে রাখা বা ফেলানো থেকে বিরত থাকুন সরাসরি রোদে গরম হওয়া এক ধুলোবালির হাত থেকেও রক্ষা কর ফ্লপির ডাটা জমা না রেখে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হার্ডডিস্কে ট্রান্সফার কর"ন

·         প্রিন্টার ট্রাবল শ্যুটিং - আজকাল প্রিন্টার যেভাবে সাধারণ মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে যাচেছ তাতে প্রিন্টারকে ঘিরে সমস্যাও কম নয় নতুন প্রিন্টার কেনার পর হয় এক ধরনের সমস্যা আর অনেক দিনের অভিজ্ঞ ইউজার আবার মুখোমুখি হন অন্যরকম সমস্যার আমাদের দেশে যে কয় রকম প্রিন্টার পাওয়া যায় তার মধ্যে বাবল জেট, ডেস্কজেট, ডট ম্যাট্রিক্স এবং লেজার প্রিন্টার প্রধান এদের মধ্যে বাবলজেট এবং ডেস্কজেটকে গৃহস্থের ঘরে সবচেয়ে জনপ্রিয় হিসাবে দেখা হয়, এই দুটি প্রিন্টারের কার্য্য পদ্ধতিও একই রকমের অনেকের বাসায় অবশ্য ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার দেখা গেলেও হেভী ডিউটি প্রিন্টার হিসেবে অফিসেও এর জনপ্রিয়তা কম নয় আধুনিক অফিসগুলোতে এখন লেজার প্রিন্টারের বহুল ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়

প্রিন্টারকে ঘিরে যে ধরনের সমস্যা ব্যবহারকারীদের পড়তে হয় তা সাধারনত মামুলী শ্রেণীর প্রতিটি প্রিন্টার উইন্ডোজের সাথে কাজ করার জন্য এর একটি ড্রাইভারের প্রয়োজন হয় ড্রাইভার হলো প্রিন্টারকে চালানোর নির্দেশ সম্বলিত কিছু সিস্টেম ফাইল যা ইন্সটল করে নিতে হয় প্রায় সব প্রিন্টারের সাথেই সিডি বা ফ্লপিতে করে ড্রাইভার প্রদান করা হয় যা প্রিন্টার প্রথম ব্যবহার করার সময় ইন্সটল করে প্রিন্টারকে চিহ্নিত করে দিতে হয় অনেক সময় প্রিন্টার আজেবাজে প্রিন্ট আউটপুট দিলে এই ড্রাইভারটি আবার নতুন করে আনইন্সটল করে আবার ইন্সটল করলে সেই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন প্রিন্টর সংক্রান্ত অন্যান্য, যেমন: কালি ঠিকমতো না আসা, অস্পষ্ট প্রিন্ট হওয়া, এজন্য প্রতিটি প্রিন্টারে আলাদা ট্রাবল পদ্ধতি আছে যা নিজস্ব প্রিন্টারের ম্যানুয়ালের ট্রাবল শ্যুটিং গাইড থেকে দেখে নিতে পারেন

অনেক সময় ডাটা কেবল ঢিলে থাকলে অদ্ভুত সব এরর মেসেজ পেতে পারেন, কাজেই বেকায়দায় পড়লে এই সম্ভাবনাগুলো পরীক্ষা করে দেখুন ভালো প্রিন্ট আউটপুট পেতে লেটেস্ট ড্রাইভারটি ইন্সটল করার চেষ্টা কর, এবং তার জন্য ইন্টারনেটে আপনার প্রিন্টারের কোম্পানির ওয়েব সাইট থেকে ড্রাইভার ডাউনলোড করে নিন

·         মনিটর ট্রাবল শ্যুটিং - মনিটর কম্পিউটারের অন্যতম অবহেলিত অংশ হলেও মনিটরের সামান্য সমস্যা হলেই ইউজারের মাথা ব্যথা শুর হয়ে যায় যতক্ষণ আমরা কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকে তার পুরোটা সময়েই আমাদের মনিটরের দিকে চেয়ে কাজ করতে হয় কাজেই মনিটরকে কার্য্য উপযোগী রাখা একজন সচেতন উইজারের কর্তব্য মনিটরে প্রধানত দুই রকম সমস্যা দেখা দেয় : ১. মনিটর কাঁপা বা স্ক্রিনে ঝিরঝির ছবি আসা, ২. স্ক্রিনের কোনো কোণায় রঙের ছোপও দেখা যায়

মনিটরে এই কাঁপার সমস্যা মূলত এর রিফ্রেস রেটের সাথে সংশি­ষ্ট একটি মনিটর সেকেন্ডে যতবার স্ক্রিনের ছবিকে নতুন করে ড্র করে তাকে ঐ মনিটরের রিফ্রেস রেট বলে যত বেশি রিফ্রেস রেট হবে তত ভালো ছবি আমরা দেখতে পাব সাধারণত ৭০ হার্জের চেয়ে কম রিফ্রেস রেট মনিটর কাঁপানোর সমস্যা করতে পারে, এবং সেক্ষেত্রে এক নাগাড়ে মনিটরে তাকিয়ে থাকলে চোখ ব্যথা, মাথা ধরার সমস্যা হতে পারে ভালো মনিটরের রিফ্রেস রেট ৭৫ থেকে ৮৫-তে থাকা উচিত এবার আসুন কীভাবে কাঁপার সমস্যা দূর করবেন প্রথমে জানা উচিত আপনার মনিটরের রিফ্রেস রেট কতো সাধারণ মনিটর ৫৬ হার্জ থেকে শুরকরে ৭৫ বা ৮০ হার্জ পর্যন্ত হতে পারে রিফ্রেস রেটের সাথে আবার মনিটর রেজুলেশন বা ডিসপে­ এরিয়ার একটা সম্পর্ক রয়েছে রেজুলেশনে যদি বেশি দেওয়া হয় তবে রিফ্রেস রেট সাপোর্ট নাও করতে পারে এবং তাতে পুরাতন মনিটরে ছবি কাঁপতে পারে এজন্য ম্যানুয়াল দেখে কোনো রেজুলেশনে কেমন রিফ্রেস রেট মনিটরটি সাপোর্ট করে তা দেখে নিতে পারেন সাধারণত কম রেজুলেশনে বেশি রিফ্রেস রেট পাওয়া যায়, তাই মনিটরের কাঁপা সমস্যা হলে রেজুলেশন কমিয়ে দিন

এটা করার জন্য কন্ট্রোল প্যানেলের ডিসপে­ আইকনে ক্লিক কর ওপরে ডানে সেটিংস ট্যাবে ক্লিক কর এখানে Screen Area সাইডটি কমিয়ে দিন এবার Advanced বাটনে ক্লিক কর এখানে Adapter-এর Refresh Rate অপশনে এসে তা Optimal করে দিন এবার দুইবার okরু আশা করি এতে কাঁপার সমস্যা দূর হবে মনিটরের ভেতবে খুব বেশি ধুলার অনুপ্রবেশ ঘটলেও ছবি কাঁপতে পারে এজন্য ধুলাবালির হাত থেকে মনিটরকে একটু সাবধানে রাকা উচিত যাদের কম্পিউটার রাখার পরিবেশ খুব বেশি ধুলার সংস্পর্শে আসে বছরে একবার অন্তত মনিটরের কভার খুলে ব্লোয়ার দিয়ে পরিষ্কার করে নেওয়া উচিত

ফ্লিকার বা কাঁপার সমস্যা ছাড়াও মনিটরে আরেকটি সমস্যা কমন, যদিও অপেক্ষাকৃত কম দেখা যায়, তা হলো স্ক্রিনের কোণায় রঙ দেখতে পাওয়া যা অবাঞ্ছিত সাধারণত মনিটরের আশপাশে ম্যাগনেটিক শিল্ড ছাড়া সাউন্ড স্পিকার, বড়সড় টুইন ওয়ান, ইউপিএস ইত্যাদি রাখলে মনিটরের আশেপাশে চুম্বক ক্ষেত্রের জন্য এরকম হতে পারে এরকম চুম্বক জাতীয় যে-কোনো জিনিসই মনিটর এবং কম্পিউটার থেকে দূরে রাখা উচিত

·         সিডি-রম ট্রাবল শ্যুটিং - কিছুদিন আগেও একটা সময় ছিল যখন কম্পিউটারের টেম্পরারি ও ডাইনামিক ডাটা আদান-প্রদান করার জন্য প্রধানত ব্যবহার করা হতো ১.৪৪ মেগাবাইট ধারণ ক্ষমতার ফ্লপি ডিস্ক অফিস স্যুটের মতো সফটওয়্যারও ১০/১২টি ফ্লপিতে ইন্সটেলেশন ভার্সন হিসেবে পাওয়া যেত গেমসও ছিল এক কি দুই ফ্লপির ইন্সটলেশন এখন দিনকাল পাল্টেছে, বিশাল বিশাল সব সফটওয়্যারের জন্য এসেছে সিডি অনেক সফটওয়্যারই এখন আমরা হরদম সিডি দিয়ে তারপর চালিয়ে থাকি এবং যে-কোনো সফটওয়্যার ইন্সটল করতেও সিডির প্রয়োজন হয়, তা গেমসই হোক আর অফিস সফটওয়্যারই থেকে আর সিডিরমের এই ব্যাপক ও বৈচিত্র্যময় ব্যবহারের ভেতর হাজির হচেছ নিত্য নতুন সিডিরম জনিত সম্যা সিডিরম ঢোকানোর পর অনেকক্ষণ লাইট জ্বলে থাকে, কোনো ডাটা রিড করতে পারে না এরকম অভিযোগ থাকে অনেকের, আসলে সিডিরমে থাকে একটি অপটিক্যাল হেড, এটি আলোকরশ্মির সাহায্যে ডাটা পড়ে থাকে আর সিডিতে ট্র্যাকের মাধ্যমে সূক্ষ্ম খাঁজে এবং কোডে ডাটা সংরক্ষিত থাকে সিডিরমের অপটিক্যাল হেড এই ডাটা পড়ে থাকে এখন যদি অপটিক্যাল হেড অথবা সিডি ডাটা সারফেসে সামান্য ধুলোবালিও পড়ে তবে তা ডাটা রিড ব্যাহত করে থাকে

সিডিরমের হেড পরিষ্কার করার জন্য সবচেয়ে ভালো হলো সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে ড্রাইভটি খুলে হেডের ময়লা পরিষ্কার করে নেওয়া তা যদি সম্ভব না হয় তবে হেড ক্লিনার সিডি ব্যবহার করতে পারেন এছাড়া কোনো সিডির ডাটা সাইডের যত্ন নেওয়ার জন্য খুব নরম এবং পরিষ্কার কাপড় দিয়ে কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে আলতো করে মুছে নিন ডাটা সাইডে আঙুলের দাগ বা শক্ত কোনো কিছু দিয়ে স্পর্শ না করাই ভালো

অনেক সময় সিডি (যেমন মুভি সিডি) চলতে চলতে আটকে যেতে পারে এরকম পরিস্থিতিতে আলতো করে একবার ড্রাইভের Eject বাটনে প্রেস কর একটু অপেক্ষা করলে সিডিটি বের হয়ে আসবে (না হলে আরেকবার প্রেস করন) এবং একটি নীল স্ক্রিন দেখতে পাবেন তখন Esc দিন এতে উইন্ডো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে পরবর্তীতে সিডি চালঅনোর সময় সিডির বিশেষ স্থানটি না পড়ানোর চেষ্টা কর মুভি সিডি হলে যে জায়গায় আটকে যাচ্ছিল সেখানে আসার আগেই  স্লাইড করে সামনে নিয়ে যান ফলে আবার আটকে যাওয়া থেকে সিডিটি রক্ষা করতে পারবেন

অনেক সময় সিডিরমের ক্যাবল ঢিলে হয়ে যেতে পারে ডাটা ক্যাবল ল্যুজ হলে সিডিরম কোনো রেসপন্স করবে না, অনেকক্ষণ পড়ার চেষ্ট করে এরর মেসেজ দেবে আর পাওয়ার ক্যাবল ল্যুজ হলে কোনো লাইটই জ্বলবে না সিডির সেক্ষেত্রে কেসিং খোলা ছাড়া কোনো উপায় নেই

·         সিডি রাইটার ট্রাবল শ্যুটিং- সিডি রাইটার এখন অনেকের সাধ্যের ভেতরে তাই দেখা যায় কাস্টোমাইজড সিডি তৈরি করতে বা ডাটা ব্যাকআপ করতে অনেকেই ব্যক্তিগত সিডি রাইটার কিনছেন সাধারণ সিডিরম থেকে সিডি রাইটারের কার্যপদ্ধতি কিছুটা ভিন্ন বলে এর সমস্যাও অন্য প্রকৃতির

বাফার আন্ডার রান (Buffer Underrun) সিডি রাইটারের একটা কমন সমস্যা যেটি রাইট করার সময় দিয়ে থাকে এর সমাধানের জন্য config sys ফাইলে কিছু লাইন যোগ করে দিতে পারেন এজন্য start মেনু থেকে run-Gi ভেতর টাইপ করsysedit| এতে আপনার সামনে একটি system configuration Editor ওপেন হবে এখানে C:\CONFIG.sys ফাইলের ওপর ক্লিক করে ফাইলের শেষে যোগ করন এই লাইন দুটি : BUFFERS=40, FILES=40 এই দুটি লাইন ডসের আমলের কমান্ড হলেও এটি সিডি রাইটারের Buffer Under run সমস্যাকে ঠিক করে দেবে

·         সাউন্ড কার্ড ট্রাবল শ্যুটিং - আজকাল মাল্টিমিডিয়া সব কম্পিউটারের খুব সাধারণ সঙ্গী সাউন্ড কার্ডও তেমনি পিসির কমন পেরিফেরালে পরিণত হয়েছে সাইন্ড কার্ডকে ঘিরে ছোটখাট অনেক সমস্যায় প্রায়ই ইউজাদের পড়তে হয় এবং তা নিজেই সমাধান করে নিতে পারেন যদি আপনি বেসিকটা জেনে নিতে পারেন হঠাৎ করে সাউন্ড বন্ধ করে যাওয়া সবচেয়ে সাধারণ একটা সমস্যা উইন্ডোজ ব্যবহারকারী প্রায় প্রতিটি সাউন্ড কার্ড ইউজারই কোনো না কোনো এক সময় এই সমস্যায় পড়ে থাকবেন যখন আপনার সাউন্ডকার্ড একদম নীরব তখন ধাপে ধাপে এই টাবল শ্যুটিং টেস্টগুলো করতে পারেন

প্রথমে একটা অডিও সিডি চালানোর চেষ্টা কর যদি সিডি অটোরান না করে তবে Start মেনুর Programs, Accessories, Multimedia অথবা Entertainment থেকে CD player চালান এবং Play করে দেখুন যদি সাউন্ড আসে বা সিডি চলে তবে আপনার হার্ডওয়্যার ঠিক আছে এর পর উইন্ডোজের সাউন্ড ফাইল চালানোর চেষ্টা করে দেখুন এজন্য Control Panel থেকে Sounds-এ ক্লিক করEvent থেকে একটি আইটেম সিলেক্ট কর এতে দুটি সাউন্ডই যদি না চলে বা শোনা না যায় তাহলে আপনাকে হার্ডওয়্যারগুলো চেক করতে হবে

প্রথমে স্পিকারের পাওয়ার চেক কর যদি তা এসি পাওয়ারে চলে প্লাগ গুলো চেক করন এবং ব্যাটারি চালিত (যদিও তা খুব কম) হলে তাও দেখুন অফ/অন বাটন প্রেস কর এগুলো ঠিক থাকলে সিপিইউর পেছনে সাউন্ড কার্ডের সাথে স্পিকারের জ্যাক চেক কর"ন ম্যানুয়াল দেখে নির্ধারণ করন কোন জ্যাকে কোন লাইন যায় এবং সেট অনুসারে আপনার স্পিকার লাগানো আছে কি না প্রয়োজনে কানেকশন খুলে আবার লাগান এরপর আপনার ভলিউম চেক কর যদি সিস্টেম ট্রেতে আপনার ভলিউম আইকন থাকে তবে তাতে ডাবল ক্লিক করে দেখুন কোনোটির ভলিউম মিউট করা আছে কি না দুর্ঘটনাক্রমে কোনোটি মিউট হয়ে থাকলে তা ঠিক করে দিন এবং তাহলেই আপনার সাউন্ড সমস্যা শেষ হয়ে যাবে

এতে যদি আপনার সমস্যার সুরাহা না হয় তবে আপনার একটু কষ্টসাধ্য কাজে নামতে হবে এবার আপনার হার্ডওয়্যার কনফ্লিক্ট বা হার্ডওয়্যার-জনিত অন্য কোনো সমস্যার মূল খুঁজতে হবে প্রথমে Control Panel-G System থেকে Device Manage ট্যাবে আসুন আপনার সাউন্ড কার্ডে এসে + চিহ্নে ক্লিক করে এক্সপান্ড কররু যদি আপনার আউন্ড কার্ডের পাশে আশ্চর্যবোধক চিহ্ন থাকে তবে আপনার সাউন্ড কার্ড অন্য কোনো হার্ডওয়্যারের সাথে সিস্টেম রিসোর্স নিয়ে কনফ্লিক্ট করছে সাউন্ড কার্ডের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কমন কনফ্লিক্ট হলো IRQ সমস্যা IRQ হলো ইন্টারাপ্ট সিগনালের জন্য সংরক্ষিত বিশেষ কমিউনিকেশন রু আলাদা আলাদা কম্পোনেন্টের আলাদা IRQ রয়েছেIRQ কনফ্লিক্ট হলে Device Manager-G আপনার সাউন্ড কার্ড কন্ট্রোলারে সিলেক্ট করে Properties-G আসুনResources ট্যাবে Automatic settings অফ করে দিন এবং তার পরিবর্তন কর"ন আপনার সেটিংস যদি অন্য কোনো ডিভাইসের সাথে কনফ্লিক্ট করে তবে আপনি তা নিচে দেখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে সেটিংস পরিবর্তন করে দিন

কনফ্লিক্ট সলভ করে রিস্টার্ট করলে আশা করা যায় আপনার সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে যদিও রিস্টার্ট করার পরও সমস্যা থেকেই যায় তবে Device Manager থেকে আপনার সাউন্ড কার্ড কন্ট্রোলার সিলেক্ট করে Remove করতে হবে এরপর Shutdown করে রিবুট করে নতুনভাবে হার্ডওয়্যার ডিটেক্ট করানোর চেষ্টা কর যদি রিস্টার্ট হবার পর উইন্ডো নিজে হার্ডওয়্যার ডিটেক্ট না করে তবে Control Panel থেকে Add new Hardware উইজার্ডটি চালান এবং সম্ভাব্য সব ধরনের হার্ডওয়্যার খুঁজতে দিন যেহেতু আপনার সাউন্ড কন্ট্রোলার আগের বার রিমুভ করেছিলেন সেহেতু এবার তা কম্পিউটার নতুন করে ডিটেক্ট করবে এক্ষেত্রে হাতের কাছে সাউন্ড কার্ড ড্রাইভার সিডি বা ফ্লপি রাখুন, প্রয়োজনে তা থেকে নতুন করে ইন্সটল কর"ন

ছোট একটা টিপস - হঠাৎ করে যদি কম্পিউটার অন করে সিস্টেম ট্রেতে সাউন্ড আউকন না দেখতে পান, কিন্তু সাউন্ড ইত্যাদি সব ঠিক থাকে তবে ঘাবড়ে যাবেন নাControl Panel- আসুন, Multimedia আইকনে ডাবল ফ্লিক ডাবল ক্লিক করু এখানে একটি অপশন আছে Show Volume control on the taskbar, এটি অন করে ok কর সমস্যার সমাধান

সাউন্ড কার্ডকে ঘিরে আরো কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন সিডি অডিও না চলা, নয়েজ আসা, অনিয়মিত সাউন্ড ইত্যাদি সাধারণত আপনার সিস্টেম যদি পেন্টিয়াম লেভেলের নিচে হয় তবে সাউন্ড সিস্টেমের জন্য পর্যাপ্ত রিসোর্স আপনার কম্পিউটারে হয়তো নেই প্রসেসর, র‌্যাম ইত্যাদি অনেক লো এন্ডে হলে অন্যান্য অ্যাপি­কেশনের সাথে সাউন্ড চালালে তা থেকে থেকে হতে পারে এজন্য অন্যান্য অ্যাপি­কেশন প্রয়োজন না হলে বন্ধ রাখুন মেশিনে অধিক র‌্যাম লাগিয়েও দেখতে পারেন ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্টারফিয়ারেন্সের কারণে সাউন্ড কার্ডে নয়েজ (Noise) আসতে পারে পাওয়ার সাপ্লাই অনেক সময় স্পিকারে নয়েজ তৈরি করতে পারে, এজন্য স্পিকারকে পাওয়ার সাপ্লাাই থেকে দূরে রাখুন

কেবল অডিও সিডি না চললে যা অডিও সিডি পে­ব্যাক না করলে সিডির অডিও ক্যাবল যা সাউন্ড কার্ডে সংযুক্ত থাকে সেটি চেক কর"ন যাদের ইউএসবি স্পিকার বা সাউন্ড কার্ড তাদের অনেক সময় থেমে থেমে সাউন্ড আসতে পারে যদি সিস্টেমের ওপর বেশি লোড থাকে সব পরিস্থিতিতে যদি সমস্যার সমাধান না হয় তবে আপনার সাউন্ড কার্ডটি পরিবর্তনও করতে হতে পারে সেই সম্ভাবনা পরীক্ষার জন্য আপনার ভেন্ডরের কাছে কম্পিউটারটি পরীক্ষার জন্য নিয়ে যেতে পারেন

কিছু কিছু ক্ষেত্রে কম্পিউটার অদ্ভুত আচরণ করতেই পারে সাধারণভাবে ব্যাখ্যা দিতে গেলে তার সমাধান নাও পেতে পারেন আপনার সাউন্ড কার্ড যদি ওপরে সব পদ্ধতির পরেও ঝামেলা করতে থাকে তবে এমন হতে পারে আপনার সাউন্ড কার্ড মাদারবোর্ডের যে স­টে আছে তা পরিবর্তন করে দেখতে হতে পারে সাধারণত আগের পদ্ধতিতে সাউন্ড কার্ড সমস্যা মিটে যেতে পারে, যদি না যায় তবে কম্পিউটার অফ করে মাদারবোর্ডের স্পট পরিবর্তন করে দেখুন

কেসিং-এর অভ্যন্তরের সমস্যা- নিজের হার্ডওয়্যার সমস্যাকে নিজেই চাইলে আজ হোক কাল হোক, আপনাকে কেসিং খুলতেই হবে আপনার পিসির এজন্য আপনি যেটা করতে পারেন তা হলো কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের এবং কেসিং ম্যানুয়ালটি ভালোভাবে পড়ুন প্রথমবার হিসাবে সাথে একজন অভিজ্ঞ সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার রাখতে পারেন যিনি আপনাকে প্রাথমিকভাবে সবকিছু দেখিয়ে দেবেন তার কেসিং খোলা লাগানো দেখে নিয়ে তার সামনেই নিজে সেটা একবার করে দেখুন এতে আপনার আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়বে তেমনি কোথাও আটকে গেলে তাৎক্ষণিক সমাধান পেয়ে যাবেন পরবর্তীতে নিজের কেসিং নিজে খোলার সময় এই গাইড লাইন মেনে চলার চেষ্টা করুন :

·   প্রথমে পাওয়ার অফ করুন কম্পিউটারের এবং প্রধান প­াগ সুইচ বোর্ড থেকে খুলে রাখুন সম্পূর্ণভাবে সতকর্তা স্বরুপ মডেম, স্পিকার ইত্যাদির আলাদা কানেকশন থাকলে সেগুলোকেও খুলুন

·    খোলার জন্য চার মাথাওয়ালা স্টার স্ক্রু ড্রাইভার, সাধারণ স্ক্রু ড্রাইভার ইত্যাদি হাতের কাছে রাখুন

·    যে টেবিলে কেসিং খুলবেন সেখানে পর্যাপ্ত জায়গায় যেন থাকে তা নিশ্চিত কর"ন আলোগুলোও জ্বেলে নিতে ভুলবেন না

·   হাতের কাছে ম্যানুয়াল গুলো শুধু রাখলেই চলবে না, খোলার আগে তাতে ভালো মতো চোখ বুলিয়ে নিন এতে আপনার কাজ অনেক সহজ হবে

·   যখন কোনো কার্ড বা সার্কিট, যেমন র্্রম ইত্যাদি খুলবেন বা লাগাবেন, তখন কখনোই অতিরিক্ত চাপ দেবেন না সার্কিট বোর্ডগুলো যথেষ্ট সংবেদনশীল, কাজেই তার সাথে বুঝে সুঝে আচরণ কর

·   আপনার হয়তো নতুন মডেম বা আরো র‌্যাম লাগাতে কেসিং খুলতে হতেই পারে, কাজেই এই গাইড লাইনগুলো মেনে চললে ট্রাবল শ্যুটিং অনেক সহজ হয়ে যাবে আপনার জন্য

কম্পিউটারের সমস্যার যেমন অন্ত নেই তেমনি তার সমাধানও হতে পারে অনেকভাবে তবে এখানে যে সমস্যা এবং তার সমাধান তুলে ধরা হয়েছে সেগুলোই সাধারণত কমন আশা করা যায় এগুলোর সমাধান পদ্ধতি যদি আপনারা বুঝতে পারেন তবে অন্যান্য সমস্যা সমাধান করার জন্যও সূত্র পেয়ে যাবেন এবং আপনার কম্পিউটারের ট্রাবলশ্যুটিং নিজেই করতে পারবেন সেক্ষেত্রে কম্পিউটার নিয়ে বাড়তি ভোগান্তি অনেক কমে আসবে আর তখন কমপিউটার আপনার জন্য সময় কাটানোর উত্তম মাধ্যম হয়ে উঠবে

শেষ

হার্ডডিস্ক সমস্যা, সমাধান ও পরিচর্য্যা Hard Disk Trouble Shooting
সিডিরম সমস্যা, সমাধান ও পরিচর্য্যা CDROM Drive Trouble Shooting
মনিটর সমস্যা, সমাধান ও পরিচর্য্যা  Monitor Trouble Shooting
প্রিন্টার সমস্যা, সমাধান ও পরিচর্য্যা Printer Trouble Shooting
মডেম সমস্যা, সমাধান ও পরিচর্য্যা Modem Trouble Shooting
স্ক্যানার সমস্যা, সমাধান ও পরিচর্য্যা Scanner Trouble Shooting
সাউন্ড কার্ড সমস্যা, সমাধান ও পরিচর্য্যা Sound Card Trouble Shooting
স্পিকার সমস্যা, সমাধান ও পরিচর্য্যা  Speaker Trouble Shooting
গ্রাফিক্স কার্ড সমস্যা ও সমাধান Graphics Card Trouble Shooting

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আরো দেখুন
আরো দেখুন
আরো দেখুন

 

Infosoft Multimedia: All Rights Reserved.

Template Monster Website Templates