pcb1 pcb2

অধ্যায় : উইন্ডোজ সমস্যা ও সমাধান Windows Troubleshooting

সুচিপত্র - প্রধান মেনু

Computer Basic কমপিউটার পরিচিতি

PC Hardware

কমপিউটারের গঠন

CPU সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট

Primary Hardware প্রাইমারী হার্ডওয়ার

Secondary Hardware সেকেন্ডারী হার্ডওয়ার

Input Unit ইনপুট ইউনিট
Output Unit আউটপুট ইউনিট

Memory কমপিউটার মেমোরী

Storage device তথ্য সংরক্ষন

Install Hardware কমপিউটার এসেম্বল
System Control  সিস্টেম কন্ট্রোল
OS অপারেটিং সিস্টেম
PC Booting পিসি বুটিং
Application Software এপ্লিকেশন সফটওয়ার
Computing in Bangla বাংলা কমপিউটিং
Multimedia মাল্টিমিডিয়া
Desktop Publishing ডেস্কটপ পাবলিকেশন
Utility Software ইউলিটি সফটওয়ার
Virus & Antivirus ভাইরাস ও প্রতিরোধ
PC Networking কমপিউটার নেটওয়ার্কিং
Internet ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তি
Hardware Problem হার্ডওয়ার সমস্যা ও সমাধান
Windows OS উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম
Software Problem সফটওয়ার সমস্যা ও সমাধান
Windows Tips & Tricks  উইন্ডোজ সমস্যা ও সমাধান
PC Maintenance কমপিউটারের পরিচর্য্যা
FAQ প্রশ্ন ও উত্তর
 
উইন্ডোজকে ভালোভাবে জানুন

যেহেতু আমাদের কম্পিউটিং বলতে গেলে পুরোটাই উইন্ডোজকে ঘিরে, তা উইন্ডোজ ৯৫ বা উইন্ডোজ ৯৮ বা উইন্ডোজ 2000-ই হোক না কেন তাই ট্রাবলশ্যুটিংয়ের প্রথম শর্ত হলো উইন্ডোজকে ভালোভাবে জানাউইন্ডোজের প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয় জানা থাকলে বা উইন্ডোজ সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকলে যে-কোনো উইন্ডোজ বেইজড সমস্যাই আপনি সমাধান করতে পারেনকম্পিউটারের প্রতিটি সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারই এমনভাবে তৈরি বা ডেভলপ করা যাতে তার ছোটখাট সমস্যা একজন ব্যবহারকারী নিজেই সারিয়ে তুলতে পারেকাজেই আপনি নতুন ইউজার বা সামান্য অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হন না কেন কখনো ভাববেন না যে, এর সামান্য সমস্যাতে, যা আপাত দৃষ্টিতে কঠিন মনে হচেছ, সেজন্য আপনাকে কম্পিউটার নিয়ে অন্য কারো কাছে নিয়ে যেতে হবেআপনার যদি জানা থাকে কী কারণে কোন সমস্যা হয় তবে প্রতিটি সমস্যার কারণ আপনি নিজেই আন্দাজ করে সমাধানকরার পথে অনেকটা এগিয়ে যেতে পারবেনকম্পিউটারকে কোনো কঠিন কিছু মনে না করে আপনার একান্ত বিশ্বস্ত একটি ইউজার ফ্রেন্ডলি কিছু মনে কর

কীভাবে আপনি কম্পিউটার ব্যবহার করে একটি ট্রাবল ফ্রি পিসির গর্বিত মালিক হতে পারেন তা নিয়ে কিছুটা আলোকপাত করা হলো

জেনে বুঝে সফটওয়্যার ইন্সটল করুন - আপনার দেশে সফটওয়্যার ইন্সটল করার সময় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই চিন্তা করা হয় না যে আদৌ সফটওয়্যারটি প্রয়োজন কি নাআর এ কারণেই উইন্ডোজের রেজিস্ট্রি অযথা বড় হয়ে যায়, সিস্টেম স্ট্যাবিলিটি হারায় এবং পরিশেষে দেখা যায় উইন্ডোজ সে­া হয়ে যায় এবং ক্র্যাশ করে কাজেই প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ছাড়া ইন্সটল না করাই ভালো এবং কৌতূহল বশত ইন্সটল করা সফটওয়্যার অপ্রয়োজনীয় হলে আনইন্সটল করে দেওয়াই সর্বোত্তমএক্ষেত্রে একজন সাধারণ এবং নতুন ইউজারের প্রথমে চিন্তা করা উচিত নতুন সফটওয়্যারটি আপনার কতটুকু সুবিধা দেবে সম্ভব হলে বিভিন্ন রিভিউ থেকে জানার চেষ্টা করুন নতুন সফটওয়্যারটিতে বাড়তি কি কি সুবিধা রয়েছে এবং তার মধ্যে আপনার কোনটি প্রয়োজনচিন্তা করুন নতুন এই বাড়তি সুবিধাটি ছাড়া আপনার জীবন কি খুব অসুবিধা আছে ? যদি না হয়, তবে এতদিন আপনাকে যে পুরতিন ভার্সনটি ব্যবহার করছেন তাতে সন্তুষ্ট থাকতে পারলে আপনার কম্পিউটারের সিস্টেম স্ট্যাবিলিটি অনেক ভালো থাকবেসাধারণত দেখা যায় যে নতুন ভার্সনের সফটওয়্যারটিতে বাগ বেশি থাকে, প্রাথমিক রিলিজ তাই ব্যবহার না করে ভার্সন ১.৫ বা ২ ব্যবহার করার চেষ্টা কর"ন, কেননা সফটওয়্যার কোমপানিগুলো তাদের ভার্সনের বাগ, সমস্যা ইত্যাদি তাদের পরবর্তী সফটওয়্যার ভার্সনে ঠিক করার চেষ্টা করে থাকে

সঠিক পদ্ধতিতে সফটওয়ার আনইন্সটল করুন - সফটওয়্যার আনইন্সটল করার জন্য উইন্ডোজের নিজস্ব ইউটিলিটি রয়েছে যা হলো Control Panel-Gi Add/Remove Programsকোনো সফটওয়্যার আনইন্সটল করার জন্য এখানে এসে সফটওয়্যার নামটি সিলেক্ট করে দিন এবং তারপর ok করে আনইন্সটল করান এতে আপনার কম্পিউটার অনেক পরিছন্ন থাকবে আনইন্সটল ছাড়া বাইরে থেকে ( যেমন উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার) কখনোই সফটওয়্যার ডিলিট করতে যাবেন না, তাতে আপনার কম্পিউটারের রেজিস্ট্রিতে সমস্যাসহ আরো অনেক ঝামেলা হতে পারে এবং অনেক অরফ্যান ফাইল তৈরী হবে যা অযথাই আপনার হার্ডডিস্ক দখল করে থাকবে

স্টার্টআপ মেনুর বোঝা কমিয়ে দিন - স্টার্টআপ বলতে কম্পিউটার এবং অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময়টাকেই বোঝায়কোনো কম্পিউটারের উইন্ডোজের স্টার্টআপ যত দ্র"ত হবে সেই কম্পিউটারের পারফরমেন্স যে ভালো হবে রান করানোর সময় তা মোটামুটি ধারণা করা যায়স্টার্টআপকে পরিছন্ন রাখা একটি কম্পিউটারের জন্য খুবই গুর"ত্বপূর্ণঅনেকে না বুঝে স্টার্টআপে একগাদা সফটওয়্যার লোড করতে দেন যা এক দমই উচিত নয়এমনকি প্রয়োজন ছাড়া এন্টিভাইরাস লোড করাও উচিত নয়তবে যারা হরদম বাইরে থেকে সফটওয়্যার আনেন তাদের জন্য হয়তো প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু বাকীদের তেমন প্রয়োজন নেই আপনি সপ্তাহের পর সপ্তাহ একই সফটওয়্যারে কাজ করছেন, সেক্ষেত্রে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার লোড করার প্রয়োজন তেমন নেইআর নতুন ভাইরাস হলে এন্টিভাইরাস যে তাকে পুরাতন কোনো এন্টিভাইরাস ধরতে পারবে না তাতে কোনোই সন্দেহ নেই

সিস্টেম ট্রের লোড কমান - আপনার সিস্টেম ট্রেতে কি খুব বেশি সফটওয়্যার আইকন দেখা যায় ? আপনার কম্পিউটারের পারফরমেন্স কি খারাপ ? তবে আপনার স্টার্টআপটি পরিষ্কার করা উচিতস্টার্টআপে কোন কোন প্রোগ্রাম লোড হয়েছে তা জানার স্টার্টমেনুর রানের ভিতর টাইট করুন msconfig এবং এন্টার প্রেস করুন এতে আপনি একটি উইন্ডো পাবেন যেখানে স্টার্টআপ ট্যাবে আসুনএখানে আপনার কম্পিউটারের উইন্ডোজ স্টার্ট হওয়ার সময় যত প্রোগ্রাম লোড হয় তার একটি লিস্ট দেখতে পাবেন প্রতিটি আইটেমের বাম দিকে একটি টিক দেওয়ার সুবিধা আছে যা অন বা অফ করা যেতে পারেকোনটি কোন সফটওয়্যারের তা বুঝতে আইটিমের ফোল্ডার কী তা লক্ষ করুনযেমন ম্যাকফির আইটেমের ফোল্ডার থেকে বুঝতে পারবেন এটি ম্যাকফির কিনাআপনি যদি একটি স্মুথ স্টার্ট চান তবে এখানে System Tray, ScanRegistry, Explorer এই তিনটি ছাড়া বাকি সবগুলো চেক অফ করে দিন এবং ওকে করন (অবশ্য কেউ যদি বিজয় রাখতে চান স্ট্যার্টে লোড হওয়ার জন্য তবে বিজয় অন করে রাখুন) এতে একবার আপনার কম্পিউটার রিস্টার্ট হবেলক্ষ কর"ন আপনার কম্পিউটার আগের চেয়ে অনেক দ্রত স্টার্ট হবে

রাম বাড়িয়ে দিন - ভালো এবং সাবলীল উইন্ডোজ পারফরমেন্স পেতে রামের বিকল্প নেই আমরা সচরাচর ২৫৬ বা ৫২৮ মেগাবাইট রাম দিয়ে উইন্ডোজ চালাইকিন্তু উইন্ডোজ মানেই মাল্টিটাস্কিং এনভারোনমেন্ট যাতে একসাথে অনেক সফটওয়্যার রান করে থাকেপ্রতিটি সফটওয়্যারের রান করার জন্য রামে জায়গা প্রয়োজনউইন্ডোজ নিজেই বেশ কিছু র‌্যাম শেয়ার করে থাকে বলে অল্প রাম থাকলে আপনার কম্পিউটারের পারফরমেন্স বেশ খারাপ হতে পারেতাই আপনি যদি একটু টাকা খরচ করে রাম আপগ্রেড বা অ্যাড করে নিতে পারেন তবে আপনার কম্পিউটারের পারফরমেন্স অনেক ভালো হয়ে যাবে ১ গিগাবাইট রাম থাকলে আপনার উইন্ডোজের গতি অনেকগুণ বেড়ে যাবে এবং যারা মাল্টিটাস্কিং বেশি করে থাকেন যেমন মাইক্রোসফটওয়ার্ড চালানো অবস্থা এমপিথ্রি শোনা এবং তার সাথে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার দিয়ে অনলাইনে যাওয়া ইত্যাদি কাজে একটু বেশি  রাম মানে অনেক কিছুকাজেই আপনার উইন্ডোজের গতি এবং কাজের স্বাচ্ছন্দ আনতে রাম যোগ করতে পারেন সিস্টেমেপরিবর্তে পাবেন অনেক সুবিধা

উইন্ডোজের ইউটিলিটি ব্যবহার করুন-  উইন্ডোজের যে-কোনো সমাধান যে উইন্ডোজ নিজেই আমাদের জন্য রেখে দিয়েছে তা অনেকেই আমরা জানি নাউইন্ডোজের সাথে বিশাল একটা যে হেল্প সুবিধা রয়েছে সেটা ব্যবহার করতে তাই অধিকাংশ ইউজারই ভুলে যান স্টার্ট মেনুতে ক্লিক করে নিচের দিকে হেল্পে ক্লিক করেই নিয়ে আসতে পারেন উইন্ডোজ হেল্পআপনার যে-কোনো ট্রাবলশ্যুটিং অভিজ্ঞাতাকে এটি সাহায্য করতে পারেকেবলমাত্র টাইপ করুন troubleshooting এবং আপনি একগাদা টপিক্স পেয়ে যাবেন যার মধ্যে প্রিন্টার, ইন্টারনেট কানেকশন, ডাইরেক্ট-এক্স, হার্ডওয়্যার কনফ্লিক্ট, ট্রাবলশ্যুটিং ইত্যাদি সবএগুলোতে ক্লিক করলে স্টেপ বাই স্টেপ সমাধানও পেয়ে যাবেনকেবল যা করতে হবে তা হলো ধৈর্য ধরে পড়া, যেটা করতে আমাদের সবারই অনীহা

Windows system information ইউটিলিটিটি ব্যবহার কর এটি একটি চমৎকার ট্রাবলশুটিং সেন্টার যেখানে আপনার উইন্ডোজের অনেক সমস্যার সমাধান পাবেন উইন্ডোজ ৯৮-এ স্টার্ট মেনুর অ্যাক্সেসরিজ থেকে সিস্টেম টুলস-এ গেলে এটি পাবেনএই ইউটিলিটির তিনটি সেকশন রয়েছে,

১. Hardware resource - হার্ডওয়্যার রিসোর্স এসাইনমেন্ট ইত্যাদি সম্পর্কে আপনাকে অবহিত করবে এবং তার সাথে সাথে কোনো হার্ডওয়্যার কনফ্লিক্ট চলতে থাকলে তাও জানিয়ে দেবে

২. Component List - যা সব ডিভাইসের সমস্যাকে লিস্ট করে এবং ড্রাইভার ইনফরমেশনও প্রদান করে থাকে

৩. Software Environment - আপনাকে বর্তমানে চালু সব সফটওয়্যার সম্পর্কে তথ্য প্রদান করবে হার্ডওয়্যার-সংক্রান্ত জটিল সব কনফ্লিক্ট অনেক সময়তেই সারাতে বেশ ঝামেলায় পড়তে হয় যার জন্য তথ্য প্রদানে উইন্ডোজ ইনফরমেশনের জুড়ি মেলা ভার

সেইফ মোড -আমরা সাধারণত কম্পিউটা যে মোডে চালাই তাকে বলা হয় সাধারণ বা নরমাল মোডএই মোডে সব ড্রাইভার সঠিকভাবে লোড হয়ে থাকেকিন্তু ট্রাবলশ্যুটিং করার জন্য উইন্ডোজের বিশেষ এক মোড রয়েছে যার নাম হলো সেফ মোডএই মোডে উইন্ডোজ তার ডিফল্ট সব সেটিংস ব্যবহার করে থাকে যেমন ভিজিএ মনিটর, মাইক্রোসফট মাউস ড্রাইভার, ডিফল্ট ভিজিএ কার্ড ড্রাইভার যার ফলে সব কিছু ১৬ কালার দেখতে পাবেন এই মোড মূলত সমস্যা সমাধানের জন্যই তৈরীএতে সিডিরম, প্রিন্টার, নেটওয়ার্ক ইত্যাদি পাওয়া যাবে নাতবে হার্ডওয়্যার কনফ্লিক্ট হলে এই মোডে সেসব ঝামেলা থাকে না বলে ট্রাবলশ্যুটিং করার জন্য এটি আদর্শ সমস্যার সমাধান হয়ে গেলে আবার রিস্টর্ট করলে পুনরায় কম্পিউটার নরমাল মোডে চলবে

ডিভাইস ম্যানেজার -উইন্ডোজোর ট্রাবলশ্যুটিং-এর জন্য, বিশেষ করে হার্ডওয়্যার -জনিত সমস্যা নিরসনে ডিভাইস ম্যানেজার একটা চমৎকার স্থান যেখানে সমস্যার ক্লু খোঁজার জন্য আদর্শডিভাইস ম্যানেজার অ্যাক্সেস করতে আপনাকে প্রথমে কন্ট্রোল প্যানেলে যেতে হবেসেখানে সিস্টেম আইকনে প্রবেশ করে উপরে একটি ট্যাব দেখতে পাবেন ডিভাইস ম্যানেজার নামেএই ট্যাবে ক্লিক করলে আপনার কম্পিউটারের যাবতীয় হার্ডওয়্যারের একটা লিস্ট দেখতে পাবেনপ্রতিটি নামের বামে একটি যোগ চিহ্ন থাকেযদি কোনো হার্ডওয়্যার সমস্যা হয়ে থাকে (যেমন ধরুন সাউন্ড কার্ড দিয়ে সাউন্ড আসছে না ঠিকমতো) তবে সাউন্ড কার্ডের বামের যোগ চিহ্নে ক্লিক করুন

শেষ

উইন্ডোজ টিপস এন্ড ট্রিক্স Windows Tips & Trics
উইন্ডোজ সিস্টেম টুল Windows system tools

 

 

Infosoft Multimedia: All Rights Reserved.

Template Monster Website Templates