pcb2
অধ্যায় : ভাইরাস সমস্যা ও সমাধান  Virus & Solution

সুচিপত্র - প্রধান মেনু

Computer Basic কমপিউটার পরিচিতি

PC Hardware

কমপিউটারের গঠন

CPU সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট

Primary Hardware প্রাইমারী হার্ডওয়ার

Secondary Hardware সেকেন্ডারী হার্ডওয়ার
Input Unit ইনপুট ইউনিট
Output Unit আউটপুট ইউনিট

Memory কমপিউটার মেমোরী

Storage device তথ্য সংরক্ষন

Install Hardware কমপিউটার এসেম্বল
System Control সিস্টেম কন্ট্রোল
OS অপারেটিং সিস্টেম
PC Booting পিসি বুটিং
Application Software এপ্লিকেশন সফটওয়ার
Computing in Bangla বাংলা কমপিউটিং
Multimedia মাল্টিমিডিয়া
Desktop Publishing ডেস্কটপ পাবলিকেশন
Utility Software ইউলিটি সফটওয়ার
Virus & Antivirus ভাইরাস ও প্রতিরোধ
PC Networking কমপিউটার নেটওয়ার্কিং
Internet ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তি
Hardware Problem হার্ডওয়ার সমস্যা ও সমাধান
Windows OS উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম
Software Problem সফটওয়ার সমস্যা ও সমাধান
Windows Tips & Tricks  উইন্ডোজ সমস্যা ও সমাধান
PC Maintenance কমপিউটারের পরিচর্য্যা
FAQ প্রশ্ন ও উত্তর
 

কমপিউটার ভাইরাস (Computer Virus)

  1. ভাইরাস - সংঞ্জা ও বৈশিষ্ট

  2. কিভাবে ভাইরাস ছড়ায়

  3. কম্পিউটার ভাইরাসের ইতিহাস

  4. ভাইরাসের নামকরণ

  5. ভাইরাসের প্রজাতি

  6. ভাইরাসের শ্রেণী বিভাগ

  7. ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়

ভাইরাস - এটি একটি সফটওয়ার প্রোগ্রাম, যা কম্পিউটারের স্বাভাবিক কাজের বাধা সৃষ্টি করে এবং নিজেকে কপি করে বংশ বিস্তার করে ল্যাটিন ভাইরাস (বিষ) থেকে এই শব্দটি জৈবিক ভাইরাসের জন্য গৃহীত হয় জৈবিক ভাইরাসের মত আচরণ করে বলে এই প্রোগ্রামগুলোকে ভাইরাস বলে উভয় ভাইরাসের কিছু সাযুজ্যঃ

জৈবিক ভাইরাস কোন বাহক ছাড়া কোনরূপ প্রকাশ ঘটাতে পারে না কম্পিউটার ভাইরাসও কম্পিউটার ছাড়া নিজেদেরকে প্রকাশ করতে পারে না

জৈবিক ভাইরাস প্রথমে বাহকের শরীরে প্রবেশ করে, এরপর নিজেদের বংশবিস্তারের মাধ্যমে বাহকের শরীরে অধিপত্য বিস্তার করে ফলে বাহকের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয় কম্পিউটার ভাইরাস প্রথমে কোন কম্পিউটারে প্রবেশ করে, এরপর কপির মাধ্যমে বংশ বিস্তার করে কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রন গ্রহণ করে এবং কম্পিউটারের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত করে

জৈবিক ভাইরাসে আক্রান্ত কোন জীবের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে কোন সুস্থ জীব এলে ওই ভাইরাস দ্বারা সুস্থ জীব আক্রান্ত হয় কোন কম্পিউটার ভাইরাসে আক্রান্ত কোন সফটওয়্যার প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে এলে সুস্থ কম্পিউটারও ভাইরা দ্বারা আক্রান্ত হয়

জৈবিক ভাইরাস থেকে বাহকের মুক্ত হতে ই"ছুক হলে এর প্রতিষেধক হিসেবে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করে এই এন্টিবায়োটিক বাহকের শরীরের অবস্থিত ভাইরাসকে ধ্বংস করে কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কম্পিউটারকে ভাইরাস থেকে মুক্ত করতে হলে এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম (কম্পিউটার ভাইরাসের ধ্বংসের জন্য প্রস্তুতকৃত সফটওয়্যার প্রোগ্রাম) দিয়ে কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত করা যায়

কিভাবে ভাইরাস ছড়ায় -

ভাইরাস আক্রান্ত প্রোগ্রাম চালালে ভাইরাসটি মেমোরীতে অবস্থান নেয় এবং প্রোগ্রামটি বন্ধ করার পরও ভাইরাস মেমোরীতে থেকে যায়

মেমোরীতে অবস্থানকারী ভাইরাস অন্যান্য প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে কিছু ভাইরাস অন্যান্য প্রোগ্রাম খুজে সংক্রমিত করে , আর কিছু ভাইরাস নতুন যে প্রোগ্রাম চালানো হয় তাকে আক্রান্ত করে এই ভাইরাস আক্রান্ত ফাইল /প্রোগ্রাম বহনযোগ্য তথ্য মাধ্যম (যেমন ফ্লপি ডিস্ক/ হার্ড ডিস্ক) , নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়ায়

ভাইরাসের নামকরণ -

বিচিত্র ধরণের ভাইরাসকে এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম বিভিন্ন নামে শনাক্ত করে কিন্তু এই নাম ভাইরাস স্রষ্টারা সাধারণত দেন না বা দিলেও তা ভাইরাসের মত ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ে না সাধারণত এন্টিভাইরাস তৈরী কারক যখন কোন নতুন ভাইরাসকে শনাক্ত করেন, তখন ভাইরাসের প্রকৃতি অনুসারে নাম দিয়ে থাকেন

ভাইরাসের প্রজাতি -

আমরা যখন কোন এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম চালাই তখন ভাইরাস এবং তার বিভিন্ন প্রজাতির নাম শুনি আসলে এই প্রজাতি গুলো পৃথক পৃথক ভাইরাস সাধারণত প্রথমে একটি নতুন ধরনের ভাইরাসের নামকরণের পর উক্ত ভাইরাসের কাছাকাছি গুণসম্পন্ন এবং কাছাকাছি কোডের ভাইরাসকেই প্রথমটির প্রজাতি বলা হয়

ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়ঃ-

ভাইরাসের চিকিৎসার চেয়ে অধিকতর ভাল হয় যদি কম্পিউটারকে ভাইরাস আক্রমণ থেকে মুক্ত রাকা যায় যেহেতু বিভিন্ন প্রোগ্রামাররা প্রতিদিন নতুন নতুন ভাইরাস উদ্ভাবন করছেন-তাই কোনভাবেই কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত রাখার জন্য একমাত্র উপায় Aej¤^b করা যাবে না ভাইরাস থেকে কম্পিউটারকে মুক্ত রাখার জন্য কিছু ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে যেমন -

পাইরেটেড বা লাইসেন্সবিহীর সফটওয়্যার ব্যবহার না করা কারণ চোরাই সফটওয়্যারসমূহ বিভিন্ন ব্যক্তির হাত ঘুরে আসে এই হাত ঘুরে ঘুরে কপি হওয়ার সময় ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয় এই সফটওয়্যার ব্যবহার করা নিষেধ বটে কিন্তু পাইরেটেড সফটওয়্যার সঠিকভাবে চিনে ব্যবহার করাটাও সহজ নয় কারণ প্রোগ্রামাররা যেমন ভাইরাস তৈরি করেন তেমনি কিছু ব্যবসায়ীও পাইরেটেড সফটওয়্যারকে আসল বলে চালানোর চেষ্টা করেন সেক্ষেত্রে সফটওয়্যার কেনার আগে দেখে নিতে হবে ব্যবসায়ী নিজেই ভাইরাস মুক্ত কিনা

গেম থেকে সাবধান ! কম্পিউটার গেমগুলো হল ভাইরাসের বড় ধররের বাহক তাই নতুন কোন গেম পেলেই ইনস্টলের জন্য অস্থির না হয়ে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে যে ঐ গেমে ভাইরাস নেই

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা লোভনীয় কোন কিছু দেখলেই লোড করবেন না লোভ সামলাতে না পারলে ট্রজন হর্স সর্বনাশ ডেকে আনতে পারে তারপরেও ইন্টারনেট হল বর্তমানে ভাইরাসের মায়াকানন কখন কোন ছলনায় ভাইরাস ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটারে প্রবেশ করবে তা বলা যাবে না নিরীহ ই-মেইলও এরূপ ছলনা করতে পারে ইদানিং অধিকাংশ ভয়ঙ্কর ভাইরাস গুলো মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে এ জন্য নতুন নতুন ভাইরাস সম্পর্কে চোখ কান খোলা রেখে খোঁজ খবর রাখতে হবে আর যারা রাত দিন-ইন্টারনেটে থাকেন তাদের কম্পিউটার আক্রান্ত হতে পারে ওয়ার্ম জাতীয় ভাইরাস দ্বারা

কম্পিউটারে সর্বশেষ ভার্সনের যেকোন একটি ভাইরাস গার্ড নিতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময় পর পর এন্টি ভাইরাস আপগ্রেড করতে হবে এ জাতীয় উলে­খ যোগ্য এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম হল ম্যাকাফি, পিসি-সিলিন, ডঃ সলোমনস এন্টি ভাইরাস টুলকিট , ন্যাভ ইত্যাদি

ভাইরাস আক্রান্ত হলে প্রয়োজনীয় কাজ নষ্ট হতে পারে সে জন্য প্রতিদিনের কাজের ব্যাকআপ রাখা উচিৎ

শেষ

ভাইরাস পরিচিতি Introduction to Virus
ভাইরাস - শ্রেনীবিভাগ  Virus- Classification
এন্টিভাইরাস সফওয়ার Antivirus Softwares

 

Infosoft Multimedia: All Rights Reserved.

Template Monster Website Templates