pcb1 pcb2

অধ্যায় : পিসি রক্ষনাবেক্ষন  Routine Maintenance of PC

সুচিপত্র - প্রধান মেনু

Computer Basic কমপিউটার পরিচিতি

PC Hardware

কমপিউটারের গঠন

CPU সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট

Primary Hardware প্রাইমারী হার্ডওয়ার

Secondary Hardware সেকেন্ডারী হার্ডওয়ার

Input Unit ইনপুট ইউনিট
Output Unit আউটপুট ইউনিট

Memory কমপিউটার মেমোরী

Storage device তথ্য সংরক্ষন

Install Hardware কমপিউটার এসেম্বল
System Control  সিস্টেম কন্ট্রোল
OS অপারেটিং সিস্টেম
PC Booting পিসি বুটিং
Application Software এপ্লিকেশন সফটওয়ার
Computing in Bangla বাংলা কমপিউটিং
Multimedia মাল্টিমিডিয়া
Desktop Publishing ডেস্কটপ পাবলিকেশন
Utility Software ইউলিটি সফটওয়ার
Virus & Antivirus ভাইরাস ও প্রতিরোধ
PC Networking কমপিউটার নেটওয়ার্কিং
Internet ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তি
Hardware Problem হার্ডওয়ার সমস্যা ও সমাধান
Windows OS উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম
Software Problem সফটওয়ার সমস্যা ও সমাধান
Windows Tips & Tricks  উইন্ডোজ সমস্যা ও সমাধান
PC Maintenance কমপিউটারের পরিচর্য্যা
FAQ প্রশ্ন ও উত্তর
 

পিসি রক্ষনাবেক্ষনের উপায় (সফটওয়ার)

আমরা কম্পিউটার নিয়ে প্রায়ই ঝামেলায় পড়ে থাকি এবং অনেক সময় মাথায় দিয়ে আহাজারি করতে থাকি। তাই যদি আমাদের কম্পিউটার ব্যবহারকে আরেকটু স্মার্ট করতে পারি, তবে দেখা যায় ৭৫% ভাগ সমস্যা আপনা আপনি বন্ধ হয়ে যাবে আসুন দেখা যাক কীভাবে স্মার্ট হতে পারি এবং আপনার ঝামেলা বিহীন কম্পিউটার ব্যবহার উপভোগ করতে পারি

কম্পিউটারকে আরো অর্গানাইজড করা - কম্পিউটার একটি যথেষ্ট অর্গানাইজড যন্ত্র, তারপরেও আমাদের ব্যবহারের উপর এর অনেক কিছু নির্ভর করে আপনি ইছা করলে এর সব ফাইল ফোল্ডারকে যাচ্ছে তাই করে রাখতে পারেন আবার সাজানো গোছানোও করে নিতে পারেন মোদ্দা কথা হলো আপনার উপরেই আপনার কম্পিউটারের অর্গাইজেশন নির্ভর করবে আপনার মাই ডকুমেন্ট ফোল্ডারে আরো সব ফোল্ডার তৈরি করন আইডেন্টিক্যাল নাম দিয়ে যাতে আপনার ফাইলগুলো গুছানো থাকে তা হতে পারে আপনার অফিসের বিভিন্ন কাজের উপর নির্ভর করে বা অন্য যা খুশি

ব্যবহারিক সফটওয়ার অণ্যত্র ইনষ্টল করা- আপনার যদি বেশ বড়সড় হার্ডডিস্ক থাকে যা আজকাল খুবই কমন ক্ষেত্রে প্রোগ্রাম ইন্সটল করার সময় কেবল সি ড্রাইভে প্রোগ্রামস ফাইল C:/program files ফোল্ডারে সফটওয়্যার ইন্সটল করা ঠিক নয় এতে যে ড্রাইভে উইন্ডোজ থাকে সেই ড্রাইভের বোঝা বেশি হয়ে যাবে এবং তা সিস্টেম পারফরমেন্স বেশ খারাপ করে দিতে পারে সেজন্য যে কোনো সফটওয়্যাইন্সটল হওয়ার সময় ডিফল্ট ডাইরেক্টরিতে ইন্সটল না করে হার্ডডিস্কের বিভিন্ন পার্টিশনেও সমানভাবে সফটওয়্যার রাখুন এতে পার্টিশনগুলোর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা হবে

নিয়মিত স্ক্যানডিস্ক ও ডিফ্রাগ করা - মাসে একবার হলেও প্রতিটি হার্ডডিস্ক পার্টিশনে থ্রু স্ক্যানডিস্ক করন, স্ক্যানডিস্ক চালাতে স্টার্ট মেনুর রান টাইপ করscandisk| ডিফ্র্যাগ একটি ইউটিলিটি টুলস যা দিয়ে আপনার হার্ডডিস্কের ছড়ানো ছিটানো ডাটাগুলোকে এক জায়গায় গুছিয়ে রাখা হয় ইহা ডাটা রিড করার সময় বাঁচায় বলে কম্পিউটারের পারফরমেন্স বেশ ভালো হয় স্টার্ট মেনুর রান অপশনে defrag টাইপ করে তা চালাতে পারেন

অপ্রয়োজনীয় সফটওয়ার আনইনষ্টল করা- কম্পিউটার হার্ডডিস্ক পরিছন্ন রাখাও একটা ভালো অভ্যাস কন্ট্রোল প্যানেলের এ্যাড/রিমুভ সফটওয়্যারে যান এবং দেখুন আপনার অপ্রয়োজনীয় কী কী সফটওয়্যার আছে এখানে হয়তো অনেকদিন আগে ইন্সটল করা রয়েছে এখানে মাসের পর মাস ধরে কিন্তু এখন আর আপনি ব্যবহারই করছেন না সেক্ষেত্রে তা আনইন্সটল করে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ বে কারণ প্রতিটি সফটওয়্যার এক তো জায়গা নষ্ট করে হার্ডডিস্কে কিন্তু তারচেয়েও বেশি ক্ষতি যেটা করে তা হলো রেজিস্ট্রি নামে উইন্ডোজের এক বিশেষ স্থানে বিভিন্ন ইনপুট দিয়ে রাখে যা প্রতিবার উইন্ডোজ লোড হওয়ার সময় উইন্ডোজকে প্রসেস করতে হয় তাই বিভিন্ন সফটওয়্যার ইন্সটল করা থাকলে তা রান করন বা না করন সেটা রেজিস্ট্রির মাধ্যমে প্রতিবার উইন্ডোজ রান করার সময়ই প্রসেস হয় কাজেই আপনার সিস্টেমের উপর ঠিকই তা প্রভাব ফেলে এজন্যই দেখা যায় অল্প সফটওয়্যার লোড করা মেশিন একই কনফিগারেশনের অন্য মেশিন যেটিতে অনেক সফটওয়্যার লোড করা আছে তার থেকে দ্র"ত রান করে

টেমপোরারী ফাইল মুছে ফেলা - হার্ডডিস্কে ভিতর বিভিন্ন সফটওয়্যার এবং উইন্ডোজ নানান সময়ে অনেক টেম্পরারি ফাইল তৈরি করতে পারে যা কখনো নিজে নিজে মূছে যায় আবার কখনো বিভিন্ন কারণে (যেমন কারেন্ট চলে যাওয়া) থেকে যায় হার্ডডিস্কের কোনো টেম্পরারি ফোল্ডারে এগুলোকে ম্যানুয়ালি খুঁজে বের করে মুছে দিতে পারেন অথবা যারা নতুন তারা উইন্ডোজের ডিস্ক ক্লিনআপ সফটওয়্যারটিও ব্যবহার করতে পারেন প্রোগ্রামস, অ্যাক্সেসরিজ থেকে সিস্টেম টুলসের আন্ডারে পাবেন ডিস্ক ক্লিনআপ সফটওয়্যারটি এতে বিভিন্ন অপশনের মাধ্যমে যেমন টেম্পরারি ফাইল, ইন্টারনেট টেম্পরারি ফাইল, রিসাইকেল বিন, নন ক্রিটিক্যাল ফাইল যেমন ব্যাকআপ ইত্যাদি ফাইল মুছে ফেলার অটোমেটিক সুবিধা পাবেন এডভান্স ব্যবহারকারীরা স্বয়ংক্রীয়ভাবে  টেমপোরারী ফাইল মোছার জন্য Autoexec.bat ফাইলে কমান্ড লিখে দিতে পারেন যাতে প্রত্যেকবার কমপিউটার বুট হবার সময় ফাইলগলি মুছে যাবে সে জন্য Run মেনু থেকে MSconfig অথবা Sysedit টাইপ করে ওকে করুAutoexec.bat ট্যাব সিলেক্ট করুন এবং টাইপ করুন -

Deltree/Y C:Windows\Temp

MD C:Windows\Temp

এবার সেভ করে বেরিয়ে আসুন

ম্যানুয়ালি মোছার জন্য উইন্ডোজের ভিতরের টেম্প নামের ফোল্ডারের (c:/windows/temp/) ভিতরের কনটেন্ট মুছে দিতে পারেন, এতে অপ্রয়োজনীয় ফাইল জমা থাকে এ ছাড়া ফাইন্ড ফাইলে খুঁজতে পারেন এই রকম ভাবে, *.Tmp ইত্যাদি এরপর ফাইন্ড করলে যেসব ফাইল লিস্টে পাবেন তা মুছে দিতে পারেন তবে ডভান্সড ইউজার ছাড়া এটি করা উচিত নয় আরো কিছু ব্যাপার আছে যা জানা থাকলে আপনার উইন্ডোজের সাথে আপনি স্মার্ট আচরণ পাবেন এগুলোর মধ্যে একটি হলো উইন্ডোজের ইন্সটল করা ফন্ট প্রতিবার উইন্ডোজ লোড হওয়ার সময় ফন্ট ফোল্ডারের প্রতিটি ফন্ট লোড হয়ে থাকে তাই আপনার ফন্ট ফোল্ডারে যদি ০০ বা ০০ ফন্ট ইন্সটল করা থাকে তাতে গর্বিত হওয়ার কিছুই নেই এগুলো বরং আপনার সিস্টেমকে ধীর গতির করে দিয়েছে যদি ওখান থেকে ০০ ফন্ট মুছে ফেললে আপনার বেঁচে থাকা অসম্ভব না হয় তবে তাই কর ফন্ট কমিয়ে দিন উইন্ডোজ থেকে ফলাফলটি টের পাবেন আশা করা যায়

সফটওয়্যার ইন্সটল করার উপায়- কোনো সফটওয়্যার ইন্সটল করার সময়, বিশেষ করে ড্রাইভার ইন্সটল করার সময় কখনো কম্পিউটারকে ইন্টারাপ্ট করবেন না বা মাঝপথে সেটআপ বাতিল করবেন না এতে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা তৈরি হতে পারে যেমন সেটাআপ লগ ফাইল করাপ্ট হওয়া, রেজিস্ট্রি এরর দেখানো, সিস্টেম ক্র্যাশ করা যদি ভুলক্রমে কোনো সেটআপ চালানোর পর সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন যে, এই সফটওয়্যারটি ইন্সটল করার কোনো প্রয়োজন নেই তবে সেটআপ পুরোপুরি শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা কর অনেক সেটআপ শেষে কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে চায়, তাও করতে দিন এরপর কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়ে গেলে তারপর স্যাড রিমুভ সফটওয়্যার থেকে ধীরে সুস্থে তা আন-ইন্সটল কর বিশেষ ক্ষেত্রে হয়তো আপনার পুরাতন ভার্সনটি রাখার প্রয়োজন হতে পারে যেমন: মাইক্রোসফট অফিসের অনেকেই ৯৭ এবং ২০০০ উভয় ভার্সন, সেক্ষেত্রে নতুন ভার্সনটি ইন্সটল করার সময় অবশ্যই আলাদা ফোল্ডারে, প্রয়োজনে নতুন ফোল্ডার তৈরি করে তাতে ইন্সটল কর এতে অনেক সমস্যা থেকে আপনি এবং আপনার পিসি বেঁচে যাবে কোনো সফটওয়্যার ইন্সটল করার সময় আরেকটি দিকে লক্ষ রাখবেন সেটা হলো যে-কোনো এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ক্লোজ বা ডিজাবেল করে নেবেন আপনার কম্পিউটারে যদি কোনো এন্টিভাইরাস লোড করা থাকে তবে সেটির একটি আইকন নিচের সিস্টেম ট্রেতে আপনি দেখতে পাবেন এতে রাই-বাটন ক্লিক করে ক্লোজ বা ডিজাবেল করার অপশন পাবেন

ফিক্স ও ডায়াগনস্টিক টুলস ব্যবহার করা - উইন্ডোজের নিজের অনেক ফিক্স ও ডায়াগনস্টিক টুলস থাকলেও সফটওয়্যার মার্কেটে বেশ কিছু থার্ড পার্টি ডায়াগনস্টিক টুলস পাওয়া যায় যেগুলো আপনার উইন্ডোজগুলো বিপন্মুক্ত রাখতে সহায়তা করবে তবে সব সময় যে আপনার থার্ড পার্টি সফটওয়্যারের প্রয়োজন হবে তা নয় আসুন দেখা যাক আপনার কী ধরনের কম্পিউটার-এর ভেতর দিয়ে যেতে হয় এবং সেই অনুসারে ইউটিলিটি নির্ধারণ করা যাবে

ইউলিটি সফটওয়ার ব্যবহার করা - যদি আপনি এনও উইন্ডোজ ৯ব্যবহার করে থাকেন অথবা মাল্টিপল সিস্টেম রান করান মেশিনে সেক্ষেত্রে আপনার হয়তো কোনো ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার ব্যবহার করা উচিত এ গুলোর মধ্যে নরটন ইউটিলিটিজ একটি চমৎকার ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার এর ডিস্ক ডক্টর, উইন ডক্টর ইত্যাদি অসাধারণ ভালো কাজ করে থাকে এছাড়া আরো কিছু অনুরূপ সফটওয়্যার হলো চেক ইট ৯৮, ফার্স্ট এইড ডিলাক্স ২০০০, নাটস এন্ড বোল্ট একসাথে একটির বেশি ব্যবহার না করাই ভালো, অন্যথায় কিছু কনফ্লিক্ট হতে পারে উইন্ডোজ ৯কম সিস্টেম রিসোর্স ব্যবহার করে এমন সুনাম থাকলেও এটা কম স্টেবল এজন্য Norton Crash Guard ব্যবহার করতে পারেন যা সিস্টেম ক্র্যাশ থেকে আপনার মেশিনকে রক্ষা করার যথাসাধ্য চেষ্টা চালাবে অনুরূপ সফটওয্যার আরো হলো Crash Defender, Reset 2000, উইন রেসকিউ ইত্যাদি যদি আপনি প্রচুর সফটওয়্যার ইন্সটল করার ক্ষতিগ্রাস্ত হন বা ইন্টারনেট থেকে প্রচুর নিত্য নতুন সফটওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল করার কাজটি যদি নিয়মিতই করা হয় তবে আপনার আন-ইন্সটলার সফটওয়্যার, যেমন নরটন ফ্লিন সুইপ, ম্যাককি আনইন্সটলার, রিমুভ ইট বা উইন ডিলিট ইত্যাদি যে কোনোটি ব্যবহার করা উচিত এগুলো উইন্ডোজের নিজস্ব Add/Remove প্রোগ্রাম থেকে অনেক শক্তিশালী বলে আরো ভালোভাবে আনইন্সটলের কাজটি করতে পারে, আপনি কোনো Program সরাতে চান তার exe সিলেক্ট করে দিলে এটি রেজিস্ট্রি, যাবতীয় DLL ফাইলসহ যাবতীয় চিহ্নই মুছে ফেলে ফলে আপনার সিস্টেম থাকে বেশ পরিছন্ন

ফাইল কমপ্রেস করা- আপনার হার্ডডিস্ক যদি ছোটখাট হয় এবং প্রায়ই বড়সড় ফাটল ব্যাকআপ করার প্রয়োজন হয় তখন আপনার একটি ভালো থার্ড পার্টি ফাইল কমেপ্রশন সফটওয়্যারের প্রয়োজন হতে পারে ভালো কিছু কমপ্রেস বা কটিভ করার সফটওয়্যার হলো উইনজিপ, পিকেজিপ ফর উইন্ডোজ, নেটজিপ ডিলাক্স, জিপ ম্যাজিক ইত্যাদি যেহেতু উইন্ডোজের নিজস্ব ফোন কমেপ্রশন সফটওয়্যার থাকা চাইWinZip এক্ষেত্রে সর্বজন স্বীকৃত একটি কমেপ্রশন সফটওয়্যার

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা-  আপনি যদি অন্যের বা বাইরে থেকে ফাইল আনা-নেওয়া বা শেয়ার করার কাজে ব্যস্ত থাকেন তবে আপনার একাধিক এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার থাকা উচিত ভাইরাস মাঝেমধ্যেই আমাদের হামলা করে থাকে এবং গুরত্বপূর্ণ ডাটাকে করাপ্ট বা মিসিং করতে পারে আজকাল যে দিনকাল পড়েছে তাতে মাত্র একটি এন্টিভাইরাস রাখাও নিরাপদ নয় তবে একসাথে কখনো একটির বেশি এন্টিভাইরাস স্টার্টআপে লোড করবেন না এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ইন্সটল করার সময় কাস্টম করে ইন্সটল করন যাতে তা স্টার্টআপে লোড না হয় জনপ্রিয় কিছু এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো ম্যাকফি, নরটন এন্টিভাইরাস, পিসি সিলিন, পান্ডা এন্টিভাইরাস ইত্যাদি অনেক এন্টিভাইরাসই ইন্টারনেটে ফ্রি ডাউনলোড করা যায় এবং সময় সময় তা আপডেট করে রাখুন, নইলে এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা অর্থহীন

শেষ

আরো দেখুন -

কমপিউটার ইউটিলিটি সফটওয়ার

এন্টিভাইরাস সফটওয়ার

 

 

Infosoft Multimedia: All Rights Reserved.

Template Monster Website Templates