0
pcb2
বিষয় : ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম MAC Operating system

সুচিপত্র - প্রধান মেনু

Computer Basic কমপিউটার পরিচিতি

PC Hardware

কমপিউটারের গঠন

CPU সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট

Primary Hardware প্রাইমারী হার্ডওয়ার

Secondary Hardware সেকেন্ডারী হার্ডওয়ার
Input Unit ইনপুট ইউনিট
Output Unit আউটপুট ইউনিট

Memory কমপিউটার মেমোরী

Storage device তথ্য সংরক্ষন

Install Hardware কমপিউটার এসেম্বল
System Control সিস্টেম কন্ট্রোল
OS অপারেটিং সিস্টেম
PC Booting পিসি বুটিং
Application Software এপ্লিকেশন সফটওয়ার
Computing in Bangla বাংলা কমপিউটিং
Multimedia মাল্টিমিডিয়া
Desktop Publishing ডেস্কটপ পাবলিকেশন
Utility Software ইউলিটি সফটওয়ার
Virus & Antivirus ভাইরাস ও প্রতিরোধ
PC Networking কমপিউটার নেটওয়ার্কিং
Internet ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তি
Hardware Problem হার্ডওয়ার সমস্যা ও সমাধান
Windows OS উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম
Software Problem সফটওয়ার সমস্যা ও সমাধান
Windows Tips & Tricks  উইন্ডোজ সমস্যা ও সমাধান
PC Maintenance কমপিউটারের পরিচর্য্যা
FAQ প্রশ্ন ও উত্তর
 

ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম MAC Operating system

যদি আপনাকে প্রশ্ন করি পারসোনাল কমপিউটারের পথিকৃত কে এবং পারসোনাল কমপিউটারে গ্রাফিক্স ইউজার ইন্টারফেসে অপারেটিং সিস্টেমের প্রবর্তক কে? তবে হয়তো একটু ভেবাচেকা খেয়ে যাবেন। হয়তো ভাববেন এর উত্তর তো সহজ। কিন্তু যে উত্তর পাবেন তাতে আপনি বিস্মিত হবেন, কারন এর উভয়ের উত্তর হলো এপেল ম্যাকিনটশ কোম্পানী। তারাই প্রথম পিসি বাজারজাত করে এবং তারাই পথম চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম বাজোরে ছাড়ে তাদের পিসিতে। আপনি হয়তো ভাবছেন তাহলে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ কবে আসে। এর উত্তর হলো ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমের এক দশক পরে। এপেল তাদের অপারেটিং সিস্টেম বাজারে ছাড়ে ১৯৮৪ সালে আর উইন্ডোজ আসে ১৯৯১ সালে। আশির দশকে বিলগেট সাহেব আইবিএম পিসির জন্য বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ডস নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু যখন দেখলেন যে জনগন তার এই অপারেটিং সিস্টেম খাচ্ছে না তখন তার হুশ হয় এবং এপেলের চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের নকলে উইন্ডোজ প্রকাশের উদ্দোগ নেয়- ততক্ষনে এক দশক পেরিয়ে গেছে।

আমাদের দেশে এখন যদিও উইন্ডোজের জয়জয়াকার তারপরও আমেরিকাতে পিসি বলতে এপেলের আইম্যাক কমপিউটারকেই বুঝায়, কারন এই পিসির সাথে অপরেটিং সিস্টেম বান্ডিল কৃত অবস্থায়ই বিক্রি হয়, ইনষ্টলেশনরের কোন ঝামেলা ছাড়াই। সুদৃশ্য আইম্যাক পিসি ও দৃষ্টিনন্দন ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম -এর সাথে উইন্ডোজের তুলনাই হয় না। এই অপারেটিং সিস্টেম সহজে হাং হয়না বা ক্রাশ করে না; ভাইরাস এর ধারে কাছে ঘেসতে পারে না। সব ধরনের উন্নত মানের ব্যবহারিক প্রাগ্রামে ঠাসা এই অপারেটিং সিস্টেমের তুলনা হয় না। আশি ও নব্বই-এর দশকে বাংলাদেশে ডেস্কটপ পাবলিশিংয়ের ক্ষেত্রে এর একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। এর মুল্য বেশী বলে আমাদের দেশে এর ব্যবহার কম । তবে যাদের ইহা ব্যবহার করার সাধ্য আছে তারা এটা ছাড়া উইন্ডোজের দিকে ফিরেও তাকায় না।

ম্যাক নেটওয়ার্কিং বেশি সুবিধাজনক কারণ এতে বিল্টইন নেটওয়ার্ক কানেক্টর রয়েছেতবে ম্যাকের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নেটওয়ার্ক অপশন কম, তাহলো ল্যান সাপোর্ট এতে নেই, আরো নেই এপলের ডায়াল সার্ভারে পিসি সাপোর্ট, নোভেল সার্ভারে কোন উইন্ডোজের সাপোর্ট ও নেই যা ম্যাক ইউজারদের আলাদা করে কোনঠাসা করে রেখেছেতরে ম্যাকে এক সঙ্গে ৭টি স্কাজি ডিভাইস লাগানোর সুবিধা থাকলেও স্কাজি ড্রাইভ বেশি দামি। ম্যাকেও ক্রাশ, লো মেমোরির কারণে প্রোগ্রাম ফ্রিজ হওয়া ইত্যাদি সমস্যা আছে

ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমের ইতিহাস 

১৯৮৪ সালের জানুয়ারী মাসে এপল কোম্পানী ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমের প্রচলন করে তাদের পিসি ম্যাকেন্টশ ১২৮-কে মডেলের জন্য। তখন এর নাম ছিল সিস্টেম সফটওয়ার।  আদি ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম আংশিক লিসা অপারেটিং সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে তৈরী, যা তারা আগেই তৈরী করেছিল লিসা কমপিউটারের জন্য ১৯৮৩ সালে। জেরক্স কোম্পানীকে সহজ শর্তে শেয়ার দেওয়ার বিনিময়ে এপলের কর্ণধার ষ্টিভ জবস ও তাদের টিমের সদস্যরা জেরক্স পার্কসঅল্টো থেকেও এ সম্পর্কে ধারনা ধার করে।

জেফ রাসকিন ১৯৭৯ সালে ম্যাকিন্টশ প্রজেক্ট শুরু করেন এই ভেবে যে কিভাবে সাধারন মানুষের জন্য সহজেবোধ্য ও সস্তায় কমপিউটার পাওয়া যায়। তিনি ব্যারেল স্মিথ নামে এপেল লিসা টিমের এক সদস্যকে এজন্য নিয়োগ করলেন ১৯৮১ সালে ষ্টিভ জবস যখন পুরা দ্বায়িত্ব নিলেন এবং যখন জানতে পারলেন যে জেরক্স পার্কস কোম্পানী গ্রফিক্স ইউজার ইন্টারফেস সমৃদ্ধ অপারেটিং সিস্টেম তৈরীর উদ্দোগ নিয়েছে তখন তিনি তাদের সাথে আলোচনা করে জেরক্স অল্টো এবং স্মলটক কোম্পাণীর শেয়ার কিনে নিলেন।  অবশেষে লিসা ও ম্যাকিন্টশ অপারেটিং সিস্টেম জেরক্স অল্টোর কনসেপ্টের উপর তাদের অপারেটিং সিস্টেমের অবয়ব দাড় করান। তবে মেনুবার এবং পপ-আপ মেনু এপেলের নিজস্ব উদভাবন।

প্রথমে এই অপারেটিং সিস্টেম কমপিউটারে সমন্বিত অবস্থায় ম্যাক রমে (যার ক্যাসিটি ৬৪ কিলোবাইট) ইনষ্টল করে বাজার জাত করা হতো। উল্লেখ্য সে সময় ম্যাকের কোন হার্ড ডিস্ক ছিল না। এন্ড্রি হার্জফিল্ড এর জন্য কোড লেখেন। এছাড়াও কিছু এসেম্বলি ল্যাংগুয়েজ কোড , কার্নেল কোড (যাকে ম্যাকিন্টশ টুলবক্স বলে) এবং কিছু  ডেস্কটপ এক্সেসরির জন্য কোড লেখেন । অপারেটিং সিস্টেমের জন্য আইকন ডিজাইন করেন সুসান কারে এবং ষ্টিভ ক্যাপস ম্যাকেন্টশ ফাইন্ডার ও  সিস্টেম ইউটিলিটির কোড লেখেন।  

ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন ভার্শন ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম ভার্শন ১ থেকে ৭ পর্য্যন্ত শুধু সিস্টেম নামে পরিচিত ছিল। ভার্শন ৭.৬ থেকে এর নামকরন করা হয় ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম। 

সিস্টেম ১,২,৩,৪  

এই রিলিজগুলো একসাথে একটি মাত্র এপ্লিকেশন চালাতে পারত। এ সময় ইহা ম্যাকিন্টশ ফাইল সিস্টেম নামে ফ্লাট ফাইল ব্যবহার করত। সিস্টেম ২.১ থেকে এইএফএস নামক ফাইল সিস্টেমের প্রবর্তন করা হয়, যেখানে সত্যিকার অর্থে ডিরেক্টরী ও ফাইল তৈরী করা যেত এবং ইহা হার্ডডিস্ক সাপোর্ট করত। সিস্টেম ৩ এ ম্যাক প্লাস প্রচলন করা হয় যা স্কাজি এবং অন্যাণ্য নতুন টেকনোলজী সাপোর্ট করত। সিস্টেম ৪ এর সাথে আসে ম্যাক এসই ও ম্যাকেন্টশ ২ যা এক্সপানশন স্লট, ইন্টারনাল হার্ড ড্রাইভ , কালার ডিসপ্লে সাপোর্ট করত।

ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম এর প্রথম ভার্শনই সেই সময়ে প্রচলিত সব অপারেটিং সিস্টেম থেকে  আলাদা ছিল কারন ইহা কমান্ড লাইন-এর পরিবর্তে চিত্রভিত্তিক ইন্টারফেস চালু করে-যা আজকের সব অপারেটিং সিস্টেমেই দেখা যায়। সিস্টেম কার্ণেল ছাড়াও এতে ফাইন্ডার নামে একটি এপ্লিকেশন ধারন করে যা ডেক্সটপ প্রদর্শন করে। এই দুইটি ফাইল সিস্টেম ফোল্ডার নামে একটি ডিরেক্টরীতে থাকতো, যা প্রিন্টার ড্রাইভার সহ অণ্যান্য রিসোর্স ফাইল ধারন করতো।

সিস্টেম ৫, ৬, ৭

সিস্টেম ৫-এ  মাল্টিফাইন্ডার নামে একটি প্রোগ্রাম চালু হয় যার দ্বারা একসাথে অনেকগুলি প্রোগ্রাম চালানো যায়, যাকে  মাল্টিটাস্কিং বলে। এই সময় থেকে ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম-এ সিস্টেম ও ফাইন্ডার ফাইলের নাম্বারের পরিবর্তে ভার্শন নাম্বার চালু হয়। সিস্টেম ৬-কে আরো সম্পুর্ন, ষ্টেবল ও দির্ঘ্যস্থায়ী অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। ইহা ৬৮০৩০ প্রেসসর ও ১.৪৪ মেগাবাইট সুপারড্রাইভকে সাপোর্ট করে। ১৯৯১ সালের মে মাসে সিস্টেম ৭ রিলিজ করা হয়। ইহা ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম এর দ্বিতীয় বড় ধরনের আপগ্রেড , যাতে ইউজার ইন্টারফেসের অরো উন্নতি সাধন করা হয়, নতুন এপ্লিকেশন যোগ করা হয়, ষ্টেবিলিটি অরো নিশ্চিত করা হয়।

ম্যাক ওএস ৭.৬

আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে ভার্শন ৭.৬ থেকে সিস্টেম সফটওয়ার নাম পাল্টিয়ে ম্যাক ওএস করা হয়, যা বর্তমানে ইহার ট্রেডনেম। ম্যানিটেশ ক্লোন পিসির বাজোরে দখল রাখার প্রয়োজনে তারা এই নীতি অবলম্বন করে । এর জন্য ৬৮০৩০ প্রসেসসর ও ৩২ বিট রম প্রয়োজন পড়তো।

ম্যাক ও এস ৮

১৯৭৭ সালের জুলাই মাসে ম্যাক ও এস ৮ বাজোরে আসে-এই সময়ে ষ্টিভ জবস এই কোম্পানীতে ফিরে আসেন। এই সময়টা আইনি লড়াইয়ের কারনে এপলের খারাপ সময় যাচ্ছিল। ইহাতে বেশ কিছু নতুন ফিচার যোগ করা হয় যেমন, মাল্টিটাস্কিং আরো উন্নত করা জন্য মাল্টিথ্রেডেড ফাইন্ডার যোগ কারা হয়, গ্রাফিক্স ইউজার ইন্টারফেসকে গ্রে শেড যুক্ত করা হয় যাতে ইহাকে প্লাটিনামের মত দেখা যায় এবং থিম পরিবর্তনের জন্য নতুন কন্ট্রোল প্যানেল এর ব্যবস্থা করা হয়।  

ম্যাক ও এস ৯

ম্যাক ওএস ৯ এর ডেস্কটপ ভিউ

১৯৯৯ সালে অক্টোবর মাসে ম্যাক ও এস ৯ রিলিজ করা হয়। এতে নানা ধরনের নতুন নতুন ফিচার যোগ করা হয় যেমন , শারলক সার্চ ইঞ্জিন-এর ফলে অনেকগুলি নতুন সার্চ প্লাগ-ইন যুক্ত হয়। ইহা মেমোরীর সার্থক ব্যবস্থপনা করতে সমর্থ হয়। এপলস্ক্রিপ্ট এর উন্নতির ফলে টিসিপি/আইপি প্রটোকল ও নেটওয়ার্ক কন্ট্রোলের উন্নতি হয়। এই ওএস প্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়ার ও হার্ডওয়ার আপডেট করা সুযোগ সৃষ্টি করে।

ম্যাক ও এস ১০

১৯৯৯ সালে ম্যাক ও এস  ১০ সার্ভার ভার্শন  রিলিজ করা হয়। ম্যাক ও এস ১০ অন্যান্য ভার্শনের থেকে আলাদা এই কারনে যে ইহা ইউনিক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম । ইহাতে আগের ভার্শনের মত প্লাটিনাম সদৃশ চেহারা রাখা হয় । মার্চ ২০০১ সালে ইহার ডেস্কটপ ভার্শন ছাড়া হয় , যাতে পানির মত স্বচ্ছ চেহারা দেওয়া হয় (একুয়া ইউজার ইন্টারফেস বলে) । সেই থেকে কয়েক বছরের মধ্যে এর ছয়টি ডেস্কটপ ও সার্ভার ভার্শন বাজারে এসেছে বিভিন্ন নামে , যেমন ১০.৪ টাইগার নামে, ১০.৫ লিওপার্ড নামে এবং সর্বশেষ ( আগষ্ট ২০০৯) ১০.৬ ভার্শন বিগ ক্যাট বা স্নো লিওপার্ড নামে ।

ম্যাক ওএস ১০ লিওপার্ডের-এর ডেস্কটপ ভিউ

ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম ওএস দশ-এর  ভার্শন তথ্য Mac OS X Version Information

ভাশর্ন

কোডনেম

রিলিজ তারিখ

১.০

হেরা

মার্চ ১৬, ১৯৯৯

১০.১

চিতাহ

মার্চ ২৪,২০০১

১০.১

পুমা

সেপ্টেম্বর ২৫ ২০০১

১০.২

জাগুয়ার

আগষ্ট ২৪, ২০০২

১০.৩

প্যান্থার

অক্টোবর ২৪, ২০০৩

10.4

টাইগার

এপ্রিল ২৯, ২০০৫

10.5

লিওপার্ড

অক্টোবর ২৬, ২০০৭

10.6

স্নো লিওপার্ড

আগষ্ট ২৮, ২০০৯

 

Windows Operating System উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম
Operating System  অপারেটিং সিস্টেম
Linux Operating System  লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম
DOS Operating System  ডস অপারেটিং সিস্টেম
 

Infosoft Multimedia: All Rights Reserved.

Template Monster Website Templates